বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
সম্প্রতি ভারত সরকারের স্ট্রিট ভেন্ডর পদে ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়েছিল। এতে মনোনীত হয়েছিলেন ৯৯ হাজার প্রার্থী, যাঁদের ৯০ শতাংশ ছিলেন গ্র্যাজুয়েট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল দশম শ্রেণি পাস। কিন্তু আবেদনকারীদের মধ্যে অনেকে ছিলেন স্নাতক, স্নাতকোত্তর, ইঞ্জিনিয়ারিং ও এমবিএ পাস। এমনকি দেশটির সিভিল জাজ পদের প্রার্থীরাও এই পিয়ন, গাড়িচালক ও ওয়াচম্যান পদের পরীক্ষা দিতে এসেছিলেন।

এ পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছিলেন অজয় বাঘেল নামের এক প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘আমি সায়েন্স গ্র্যাজুয়েট। আমি পিয়ন পদের জন্য আবেদন করেছি। যাঁরা পিএইচডি করেছেন, তাঁদের অনেকেই এ চাকরির জন্যও আবেদন করেছেন।’

জিতেন্দ্র মৌর্য নামের এক চাকরিপ্রার্থী বলেন, ‘আমি ল গ্র্যাজুয়েট হয়েও গাড়িচালক পদে আবেদন করেছি। আমি বিচারক নিয়োগের পরীক্ষায় অংশ নিতেও প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি মাধব কলেজে পড়াশোনা করেছি। মাঝেমধ্যে এমন অবস্থা দাঁড়ায় যে বই কেনার মতো টাকা থাকে না। তাই ভেবেছি, যেমনই হোক না কেন, একটা চাকরি পেতে হবে।’

উত্তর প্রদেশ রাজ্য থেকে পরীক্ষায় অংশ নিতে এসেছেন আলতাফ নামের এক চাকরিপ্রার্থী। তিনিও স্নাতক পাস। এসেছেন পিয়ন পদে চাকরির জন্য পরীক্ষা দিতে।

default-image

এ বিষয়ে জানতে চাইলে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, ‘আমরা বছরে এক লাখ কর্মী নিয়োগ করব। সরকারের কোনো পদ খালি থাকবে না।’

কিছুদিন আগে মুখ্যমন্ত্রী বলছিলেন, ‘সবাই সরকারি চাকরি চায়। কিন্তু সবাইকে তো আর সরকারি চাকরি দেওয়া সম্ভব হবে না।’

তবে পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। সরকারি হিসাবে মধ্যপ্রদেশে বেকারের সংখ্যা ৩২ লাখ ৫৭ হাজার ১৩৬। রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা ৩০ হাজার ৬০০, স্বরাষ্ট্র দপ্তরে ৯ হাজার ৩৮৮, স্বাস্থ্য দপ্তরে ৮ হাজার ৫৯২ ও রাজস্ব দপ্তরে ৯ হাজার ৫৩০টি। সব মিলিয়ে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে শূন্য পদের সংখ্যা এক লাখ।
চাকরিপ্রত্যাশীরা বলছেন, এ কারণেই গোয়ালিয়রে ছোট পদের জন্য উচ্চশিক্ষিত হাজারো প্রার্থী আবেদন করেছেন।

সম্প্রতি ভারত সরকারের স্ট্রিট ভেন্ডর পদে ১৫ লাখ আবেদন জমা পড়েছিল। এতে মনোনীত হয়েছিলেন ৯৯ হাজার প্রার্থী, যাঁদের ৯০ শতাংশ ছিলেন গ্র্যাজুয়েট।

চাকরি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন