বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কেন এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে?

সোহরাব হোসাইন: প্রায় দেড় বছর করোনার কারণে নিয়োগ পরীক্ষা বন্ধ ছিল। কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো নিয়োগ পরীক্ষা নিতে পারেনি। কেবল আমরা ৪১তম বিসিএস, নার্স ও চিকিৎসক নিয়োগ পরীক্ষা নিয়েছি, সেটিও জরুরি অবস্থায় বিশেষভাবে। যেহেতু কোনো প্রতিষ্ঠান নিয়োগ পরীক্ষা নিতে পারেনি, তাই এখন করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সবাই পরীক্ষা নেওয়ার তারিখ দিয়েছে। সে জন্য এই জটের তৈরি হয়েছে। তবে এই জট থাকবে না। কয়েক সপ্তাহ পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

default-image

নিয়োগের একাধিক পরীক্ষা যেন এক দিনে না হয়, সে জন্য কী করা উচিত?

সোহরাব হোসাইন: একাধিক পরীক্ষা এক দিনে যাতে না হয়, সে জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ কার্যক্রম তদারক বা সমন্বয়ের জন্য ক্যাবিনেট ডিভিশন একটি শাখা খুলতে পারে। সেখানে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়োগের ব্যাপারে চিঠি দিতে পারে। নিয়োগদাতার সেই চিঠি থেকে ক্যাবিনেট ডিভিশন চাকরির তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন। এতে এক দিনে বা একই সময়ে একাধিক পরীক্ষার বিষয়টি এড়ানো যেতে পারে। এই পরিস্থিতি তো আগে কখনো হয়নি। বিশেষ পরিস্থিতির জন্য কেউ তৈরি ছিল না। তবে কয়েক সপ্তাহ পরীক্ষাগুলো নিয়মিত হলে নিয়োগ পরীক্ষার জট আর থাকবে না।

সাক্ষাৎকার থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন