পরিপত্রে বলা হয়েছে, উচ্চ আদালতে করা বিভিন্ন রিট পিটিশনের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে এনটিআরসিএ থেকে গত বছরের ৩০ মার্চ জারি করা তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে ৪ নম্বর অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৩৯০০ ও ২০১৯ নম্বর মামলার রায় অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারির আগে যাঁরা শিক্ষক নিবন্ধন সনদ লাভ করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা শিথিলযোগ্য শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। এ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে প্রযোজ্য প্রার্থীরা আবেদন করেন এবং নিয়োগ সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এনটিআরসিএ তৃতীয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পরিপ্রেক্ষিতে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মধ্যে যাঁরা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেছিলেন এবং ২০১৮ সালে ১২ জুনের আগে যাঁরা শিক্ষক নিবন্ধন সনদপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাঁদের এমপিওপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বয়সসীমা প্রযোজ্য হবে না।

তবে এ আদেশ কোনো ক্ষেত্রে নজির হিসেবে গণ্য করা যাবে না বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে। পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এ বছরের শুরুতে তৃতীয় গণবিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগ পাওয়া ৩৪ হাজার শিক্ষককে সুপারিশপত্র দেয় এনটিআরসিএ। এই শিক্ষকেরা নিজ নিজ স্কুলে যোগদানের পর ফেব্রুয়ারি মাসে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করেন। তাঁদের মধ্যে ৩৫ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষকদের এমপিওর আবেদন বাতিল করে দেয় শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক শিক্ষা কার্যালয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, ২০২১ সালের সংশোধিত এমপিও নীতিমালা অনুযায়ী বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩৫ বছর।

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন