default-image

সরকার দেশের প্রতিটি পৌরসভায় একজন করে নগর–পরিকল্পনাবিদ নিয়োগের উদ্যোগ নিচ্ছে। এ ছাড়া সব পৌরসভার জন্য মাস্টার প্ল্যান প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা আছে। আজ রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্স—বিআইপি আয়োজিত ‘স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে পরিকল্পনার গুরুত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, দেশকে উন্নত–সমৃদ্ধ করতে হলে একটি জাতীয় পরিকল্পনা লাগবে এবং সেই পরিকল্পনা অবশ্যই দীর্ঘমেয়াদি হতে হবে। পরিকল্পনায় অবশ্যই একটি সুনির্দিষ্ট দর্শন থাকতে হবে। এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, যদি ঢাকাকে কেন্দ্র করে মাস্টার প্ল্যান করা হয়, তাহলে ৫০ বছর পর এই শহরে কত মানুষ বাস করবে, অবকাঠামোগত কী উন্নয়ন হবে, শিক্ষার হার মাথাপিছু আয় কত হবে, লাইফস্টাইল কেমন হবে ইত্যাদি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করলে তবে সাফল্য আসবে। গ্রাম থেকে সাধারণ মানুষের শহরে আসা বন্ধ করতে হলে শহরের সব সুযোগ–সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। আর এ লক্ষ্যে সরকার শেখ হাসিনার ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ দর্শন নিয়ে কাজ করা শুরু করেছে। ইতিমধ্যে ১৫টি গ্রামকে পাইলট প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রের দায়িত্ব নিয়ে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের উন্নয়নে কাজ শুরু করেন এবং মাত্র সাড়ে তিন বছরে অর্থনীতি, কলকারখানা, যোগাযোগসহ সব ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেন। সরকার পরিকল্পনা করে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে এবং তা বাস্তবায়নও করছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি পদ্মা সেতু, পায়রা বন্দর ও মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের কথা উল্লেখ করে বলেন, শুধু উন্নত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখে বসে থাকলে হবে না, বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে।

পরিকল্পনাবিদ ও বিআইপির সভাপতি ড. আখতার মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ। পরিকল্পনাবিদ ও বিআইপির সাধারণ সম্পাদক ড. আদিল মুহাম্মদ খান সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। বিজ্ঞপ্তি

বিজ্ঞাপন
খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন