বিজ্ঞাপন
default-image

এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে সিএমআইই ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মহেশ ব্যাস জানান, গত বছর লকডাউনের প্রভাবে বেকারত্ব ২৪ শতাংশে পৌঁছে ছিল। পরিস্থিতি ততটা মারাত্মক না হলেও বেকারত্বের সংখ্যা যে ক্রমশ খারাপ হচ্ছে, তা এবারের পরিসংখ্যান বলছে।

মার্চে বেকারত্বের হার ৬ দমশিক ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৭ দশিমক ৯৭ শতাংশ হয়েছে। এপ্রিলে ৭০ লাখের বেশি মানুষ কাজ হারিয়েছেন।

করোনার সংক্রমণ এবং মৃত্যুর হারে আগের সব রেকর্ড পেছনে ফেলছে ভারত। লকডাউন ঘোষণা হলে আগামী দিনে অনেক প্রতিষ্ঠান কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটবে, আবার নতুন করে নিয়োগও বন্ধ থাকবে। এ অবস্থায় শহরে কাজ হারানোর হার গ্রাম থেকে খারাপ অবস্থায় পৌঁছেছে। শহরে বেকারত্বের হার যেখানে গত ১ মাসে ৯ দশমিক ৭৮ শতাংশে পৌঁছেছে, সেখানে গ্রামে এ হার ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ। কোভিড-১৯–এর দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে আগামী কয়েক মাস দেশের চাকরির বাজার এ রকমই থাকবে বলেও মন্তব্য করেছেন মহেশ ব্যাস।

মহেশ ব্যাসের মতে, করোনার জন্য হঠাৎ অনেকে বেকার হয়ে যাওয়ায় তার প্রভাব পড়বে তাঁদের মানসিক অবস্থাতেও। তাঁরা পরবর্তীকালে চাকরির জন্য কম বেতনেও কাজ করতে রাজি হয়ে যাবেন। ফলে চাকরিজীবীদের জন্য লকডাউন সব দিক থেকেই ক্ষতিকারক। করোনার সংক্রমণ কমার সব ব্যবস্থা নিশ্চিত করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে অর্থনীতির চাকা চালু রাখাই হবে সবার জন্য মঙ্গলজনক। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি

খবর থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন