পিএসসির সংস্কারের দাবি জানিয়েছে 'পিএসসি সংস্কার জোট'
রিপিট ক্যাডার সুপারিশ বন্ধ করাসহ ৫ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ ‘সরকারী কর্ম কমিশন (পিএসসি) সংস্কার জোট’। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংস্কার জোটের ৫ দফা দাবি হলো, বিসিএস চূড়ান্ত ফলাফলে রিপিট ক্যাডার সুপারিশ বন্ধ করা এবং ৪৫তম বিসিএস ও ৪৯তম বিসিএসে রিপিট সংশোধন করে সম্পূরক ফলাফল প্রকাশ করা। প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে ৫-৭ গুণ শিক্ষার্থীকে ভাইভা অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া, জেনারেল বিসিএস প্রার্থীদের থেকে সর্বোচ্চ ননক্যাডার নিয়োগ নিশ্চিত করা, ২০২৩ সালের ননক্যাডার নিয়োগের বিধি বাতিল করে ২০১৪ সালের ননক্যাডার নিয়োগ বিধিমালা পুনর্বহাল করা এবং বিসিএস লিখিত পরীক্ষার পূর্বে যৌক্তিক সময় দেওয়া।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, যেখানে দেশের শীর্ষ মেধাবীরা যোগ্যতার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বসে আছে সেখানে যোগ্য প্রার্থীর অভাবে পদ ফাঁকা রাখার মতো হাস্যকর ঘটনা প্রায় প্রতিটি বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলেই ঘটছে। এছাড়াও ৪৭তম বিসিএসে সার্কুলারে উল্লেখিত পদের চেয়েও কম প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ করার মতো আজগুবি ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়াও আমরা দেখি সরকার সংসদে বলছে সরকারি চাকরিতে লক্ষাধিক পদ ফাঁকা অন্যদিকে বর্তমান পিএসসি ক্যাডার ও ননক্যাডারে পদ বাড়ানোর পরিবর্তে প্রতিটি ফলাফলে পদ সংকোচন নীতিতে হাঁটছে। যা নতুন বাংলাদেশে অগ্রহণযোগ্য ও নিন্দনীয়।
এসময় ৪৫তম বিসিএসে আবেদনকারী প্রার্থী একরামুল হক বলেন, “৪৪তম বিসিএসে নিয়োগ বিধি সংশোধন করে রিপিট ক্যাডার বাদ দিয়ে তিনবার ফলাফল প্রকাশ করা হয়, অথচ একই পিএসসি ৪৫তম বিসিএসে রিপিট সংশোধনে অনীহা প্রকাশ করছে, যেখানে বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে চাকরির সংকট প্রকট সেখানে একই প্রার্থীকে একই ক্যাডারে একাধিকবার সুপারিশ করা বেকার মেধাবীদের সাথে উপহাস নয় কি?”