প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ: সচিবালয়ে কারও সাক্ষাৎ না পেয়ে ফিরে শাহবাগে কর্মসূচিতে প্রার্থীরা

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন। শাহবাগ, ঢাকা, ২৭ সেপ্টেম্বরছবি: ফাইজার মো. শাওলীন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারও সাক্ষাত পাননি। ফলে তাঁরা শাহবাগে আন্দোলনস্থলে ফিরে এসেছেন।

সকালে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন। পরে বেলা ১১টার দিকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন। সেখান থেকে সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা হয়। তবে শিক্ষামন্ত্রী ও মন্ত্রণালয়ের কারও সাক্ষাৎ না পেয়ে বেলা সাড়ে ৩টার পরে তারা সচিবালয় থেকে চলে ফিরে শাহবাগে আসেন।

এর আগে আজ রোববার সকাল ১০টা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন চাকরিপ্রার্থীরা। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে যান তাঁরা। দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়ার দাবিতে সেখানে অবস্থান নেন। এখন সেখানেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা।
এদিকে এরই মধ্যে রাজশাহী জেলায় দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এ দফায় ২২ জন প্রার্থীই নিয়োগপত্র পেয়েছেন।

আরও পড়ুন

দ্বিতীয় দফায় রাজশাহীতে নিয়োগপত্র পেলেন ২২ জন 

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলাফলের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র দিয়েছে রাজশাহী জেলা। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বিজ্ঞপ্তিতে নিয়োগপত্র ইস্যু করেছে। চিঠিতে নতুন করে মোট ২২ জনের নাম রয়েছে। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের জাতীয় বেতনস্কেল-২০১৫ অনুযায়ী ১১০০০ থেকে ২৬৫৯০ টাকা বেতনস্কেলে (গ্রেড-১৩) আওতায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা নির্ধারিত শর্ত প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন

২৪ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় শত শত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি। এতে তাঁদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের দাবি, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫–এর ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছেন দুই হাজারের বেশি প্রার্থী।