শিক্ষকদের যোগদান ১ অক্টোবর: মন্ত্রণালয়
আগস্টেই যোগদান-পদায়ন দাবিতে শাহবাগে প্রাথমিকে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্ত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীরা চলতি আগস্টের মধ্যেই যোগদান ও পদায়ন চান। এ মাসেই যোগদান ও পদায়নের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা।
আজ রোববার (২ আগস্ট ২০২৬) বেলা ১১টার পর শাহবাগে জাতীয় সংগীত গেয়ে কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা জাদুঘরের সামনের সড়ক বন্ধ করে দাবি আদায়ে আন্দোলন করছেন। তবে শাহবাগ থানার সামনের রাস্তাটি খোলা রয়েছে। এ পাশ দিয়ে যান চলাচল করছে।
‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’ এর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন বণে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা তা না মেনে চলতি মাসের মধ্যে যোগদান ও পদায়নের দাবিতে কর্মসুচি চালিয়ে যাচ্ছেন।
এর আগে সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হন তাঁরা। সেখান থেকে শাহবাগ মোড়ের দিকে যেতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। এরপর শাহবাগ থানা ও জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেন সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকেরা। সেখানে দাবি আদায়ে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা গেছে শিক্ষকদের। এ সময় বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন তারা।
এদিকে আজ রোববার (২ আগস্ট ২০২৬) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫’ এর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যথাসময়ে নিয়োগপত্র প্রেরণ করা হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের পর পদায়ন এবং পরবর্তী সময়ে প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীরা পদায়নের নির্দিষ্ট তারিখ চান, তা না হলে তারা কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী নির্বাচিত হন। পরে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ডোপ টেস্টসহ) এবং প্রয়োজনীয় সনদ যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রার্থীদের ভাষ্য, নিয়ম অনুযায়ী এরপরই যোগদানের কথা থাকলেও ছয় মাস ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।