যুব উন্নয়নে প্রশ্নপত্র ফাঁসে অভিযোগের পর আবার পরীক্ষা, ফলাফলে উত্তীর্ণ ৫৩৮৬
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের প্রিলিমিনারি নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৫ হাজার ৩৮৬ জন। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এক বিজ্ঞপ্তিতে উত্তীর্ণদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের রাজস্ব খাতভুক্ত সহকারী উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্য পদে জনবল নিয়োগে পরীক্ষা ছিল ১০ অক্টোবর। ২৪২টি পদের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন প্রায় তিন লাখের বেশি প্রার্থী। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ে। মূল প্রশ্নের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের মিল পাওয়ায় পরীক্ষা শুরুর দুই মিনিটের মাথায় পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে দূরদূরান্ত থেকে আসা অনেক প্রার্থী ক্ষুব্ধ হয়ে ওই দিন রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করেন।
১১তম গ্রেডের এ পদের প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে বাতিল পরীক্ষার নতুন তারিখ ঘোষণা করা হয়। পরে গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর ২০২৬) আবার বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শনিবার সেই পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষার তারিখ, সময় ও কেন্দ্র পরে জানানো হবে। পরের পরীক্ষার সব তথ্য যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট ও টেলিটকের মাধ্যমে খুদে বার্তা পাঠিয়ে প্রার্থীদের জানানো হবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ার যেকোনো পর্যায়ে কোনো প্রার্থী অনিয়ম বা অসাধু উপায় অবলম্বন করলে তাঁর প্রার্থিতা বা ফল বাতিল হবে বলেও এ–সংক্রান্ত বিষয় অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মাহফুজুল আলম খানকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। প্রথমে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হলেও পরে সময় বাড়ানো হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় হওয়া মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। গতকাল আদালতের মাধ্যমে তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।