বিজ্ঞাপন

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সারা দেশে আমরা ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি এবং সেখানে আমরা খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প গড়ে তোলার ওপর সবচেয়ে গুরুত্ব দিচ্ছি। সেখানে যাতে মৎস্যজাতীয় পণ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বাজারজাত করা যায়, সে সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আপনাদের নিজেদেরও সংগঠনকে আরও সুসংগঠিত করা এবং আমাদের যুবসমাজ যাতে আরও এগিয়ে আসে ও মৎস্য উৎপাদনে মনোযোগী হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রয়োজন। কেননা, এখানে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।’ তিনি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে মৎস্যজীবী লীগের প্রত্যেক সদস্যকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তখনই কাজ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সে জন্য আমাদের যুবসমাজকে ট্রেনিং দেওয়া, সুযোগ সৃষ্টি করা, জলাধারগুলো সংস্কার করে মাছ উৎপাদন যাতে বৃদ্ধি পায় তার ব্যবস্থা করা, এর ওপর গবেষণার ব্যবস্থা করা, গবেষণা করে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি করা, কৃত্রিম প্রজননের ব্যবস্থা করা এবং খাদ্যতালিকায় সবচেয়ে নিরাপদ পুষ্টি মাছ যাতে থাকে, তার ব্যবস্থা করি।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের মাছের উৎপাদন যেখানে ২৭ লাখ মেট্রিক টন ছিল, সেখানে আমরা ৫০ লাখ মেট্রিক টনের কাছাকাছি উৎপাদন শুরু করেছি। সেই সঙ্গে আমাদের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় যাতে মাছ থাকে, তারও ব্যবস্থা নিয়েছি। ইলিশ উৎপাদনে আমরা এখন পৃথিবীর এক নম্বর অবস্থানে চলে এসেছি।’ ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকারের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘প্রজননের সময়ে আমরা মৎস্যজীবীদের জন্য বিশেষ বরাদ্দ দিয়ে থাকি, তাঁদের খাদ্যসাহায্য দিই।’ তিনি আরও বলেন, প্রত্যেককে প্রতি মাসে বিনা পয়সায় খাদ্য দিয়ে থাকি, চাল দিয়ে থাকি; সেই সঙ্গে আবার ঝাঁকায় করে মাছ চাষের উদ্যোগের মাধ্যমে বিকল্প কর্মসংস্থানের উদ্যোগও নিয়ে থাকি, যাতে আমাদের মৎস্যজীবীরা কোনো রকম কষ্ট না পান। সেদিকে আমরা বিশেষ দৃষ্টি দিয়েছি।’

সবাইকে কোভিড-১৯ সম্পর্কে সতর্ক করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন, যাতে করোনাভাইরাস কারও ক্ষতি করতে না পারে। সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিতে হবে। নিজেকে এবং অপরকে সুরক্ষিত রাখতে হবে।’

পরামর্শ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন