বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

২০১৭ সালে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) পদে আলাদা দিনে ১০০ নম্বরের এমসিকিউ এবং ১০০ নম্বরের রচনামূলক প্রশ্ন করা হয়েছিল। ১০০ নম্বরের ৮০টি এমসিকিউ (প্রতিটির মান ১.২০) প্রশ্নের মধ্যে বাংলা-১৫, ইংরেজি-১৫, গণিত-১০, সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান ও কম্পিউটারসহ)-৪০টি করে প্রশ্ন ছিল। আগের মতো এবারও ১০০ বা ৫০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষা নেওয়া হতে পারে। এমসিকিউ প্রস্তুতির জন্য বিসিএস প্রিলিমিনারি প্রস্তুতিবিষয়ক বইগুলো সহায়ক হিসেবে রাখতে পারেন। তবে বাংলা ও ইংরেজি অংশে সাহিত্যের চেয়ে ব্যাকরণের উপর অধিকতর জোর দিতে হবে। আর সাধারণ জ্ঞানের বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে বাংলার ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু, বিদ্যুৎ খাত ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডসম্পর্কিত তথ্যগুলো ভালো করে চোখ বুলিয়ে নেবেন। বিসিএসের চূড়ান্ত রেজাল্টে এমসিকিউ নম্বর যোগ না হলেও, অনেক প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ পরীক্ষায় এমসিকিউ নম্বর যোগ করে চূড়ান্ত ফলাফল তৈরি করা হয়, তাই এমসিকিউ অংশ গুরুত্ব দিয়ে প্রস্তুতি নিতে হবে।

২০১৭ সালে সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) পদে ১০০ নম্বরের রচনামূলক পরীক্ষায় ভাবসম্প্রসারণ-০৫, ব্যাখ্যা-০৫, এককথায় প্রকাশ ও বাগ্​ধারা-০৫, ক্রিটিক্যাল রিজনিং-০৫, এমপ্লিফিকেশন-০৫, ট্রান্সলেশন ও রিট্রান্সলেশন-২০, ফোকাস রাইটিং-২৫, গণিত-১০, সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন-১০, টিকা-১০ নম্বরের উত্তর লিখতে হয়েছিল। এবারও রচনামূলক পরীক্ষায় ১০০ বা ৭০ নম্বরের প্রশ্ন করা হতে পারে। রচনামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য বিসিএস লিখিত প্রস্তুতিবিষয়ক বইগুলো দেখতে পারেন। পাশাপাশি ফোকাস রাইটিং অংশের প্রস্তুতির জন্য বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত, বর্তমান সরকারের উন্নয়ন ও সফলতা, সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য অবশ্যই পড়ে যাবেন। যেকোনো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় লিখিত পরীক্ষার নম্বরের ওপর মেধাতালিকায় স্থান পাওয়া অনেকাংশে নির্ভর করে, তাই লিখিত পরীক্ষা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাংক ও বিদ্যুৎ প্রতিষ্ঠানগুলোতে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ১৫-২০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। এখানে সাধারণত একাডেমিক সার্টিফিকেটের ওপর একটি নির্দিষ্ট নম্বর প্রদান করা হয়। মৌখিক পরীক্ষায় প্রার্থীর একাডেমিক ও সাধারণ জ্ঞান, আচরণ ও ব্যক্তিত্ব, উপস্থিত বুদ্ধি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা প্রভৃতি সচেতনভাবে লক্ষ করা হয়। তবে কোনো প্রার্থী এমসিকিউ ও রচনামূলক পরীক্ষায় ভালো নম্বর তুলতে পারলে মৌখিক পরীক্ষা মোকাবিলা করে চূড়ান্ত ফলাফলে নিজের নাম দেখতে পারা তেমন কঠিন কিছু নয়। শুভকামনা সবার জন্য।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড: ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির (পিবিএস) মাধ্যমে বাংলাদেশের ৬১টি জেলায় বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) হিসেবে যোগদান ও বেসিক প্রশিক্ষণ শেষে নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আরইবির প্রধান কার্যালয়ে (ঢাকাস্থ খিলক্ষেত) পদায়ন করা হয়। আরইবির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ী বেতন ও অন্যান্য সব সুযোগ–সুবিধা পেয়ে থাকেন।

পরামর্শ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন