কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে শুধু বিষয়ভিত্তিক ২০০ নম্বর গণ্য হয়। এ ক্ষেত্রে বাংলা দ্বিতীয় পত্র ও সাধারণ বিজ্ঞানের ২০০ নম্বর বাদে বাকি ৭০০ ও বিষয়ভিত্তিক ২০০ নম্বর বিবেচিত হবে। তাই এই ২০০ নম্বরে যাঁরা এগিয়ে থাকবেন, কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডারপ্রাপ্তিতে তাঁরা এগিয়ে থাকবেন বলে ধরা যায়। সাধারণ ক্যাডারের পরীক্ষায় অনেকের কাছাকাছি নম্বর থাকে। কিন্তু বিষয়ভিত্তিক একটি পরীক্ষাতেই নম্বরের পার্থক্য অনেক থাকে। কারণ, অনেক আগে যাঁরা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পাস করেছেন, তাঁরা চাকরির পড়াশোনা করতে গিয়ে একাডেমিক পড়াশোনা ভুলে যান বা অনেকের অনীহা চলে আসে। তাই যাঁরা সদ্য পাস করে লিখিত পরীক্ষায় বসছেন, তাঁরা তুলনামূলক এগিয়ে থাকবেন।

স্নাতক পর্যায়ে পড়া টপিকগুলো আবার পড়ার কোনো বিকল্প নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকেরা বই বা শিট সরবরাহ করে থাকেন। আবার অনেকের হ্যান্ডনোট করে পড়ার অভ্যাস থাকে। এখন সেগুলো গুছিয়ে নিয়ে পড়াই উত্তম। পুরোনো সেই বই, শিট বা হ্যান্ডনোটগুলো গুছিয়ে নেওয়া মানে অর্ধেক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলা। অনেকে কয়েক বছর আগে পাস করেছেন, তাঁরা হয়তো সেগুলো কোথাও বস্তাবন্দী করে রেখেছেন বা হারিয়ে ফেলেছেন, সে ক্ষেত্রে বস্তা থেকে বেছে বেছে বের করুন বা বিভাগের জুনিয়রদের কাছ থেকে সংগ্রহ করুন। তারপর আপনার দাগানো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোই পড়তে থাকু

কেউ যদি কোনোভাবে আগের নোটগুলো সংগ্রহ করতে না পারেন, তাহলে প্রতিটি বিষয়ের জন্য বাজারে কিছু বই বা শিট পাওয়া যায়, সেগুলো সংগ্রহ করুন। আপনার বিষয়ে আগে যাঁরা ক্যাডার হয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে কথা বলেও উপকৃত হতে পারেন। একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আপনি আপনার বিভাগে যে মাধ্যমে (ইংরেজি অথবা বাংলা) পড়েছেন, সেই মাধ্যমেই পরীক্ষা দিন, তাতে নম্বর ভালো আসবে এবং আপনি লিখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন। সাধারণত বেশি গভীর থেকে প্রশ্ন হয় না, কোনো একটা বিষয়ের সাধারণ বা বেসিক যেগুলো টপিক বা যেগুলোর মানবকল্যাণে ব্যবহার আছে, সেসব বিষয় থেকে বেশি প্রশ্ন হয়। তাই বেশি গভীর থেকে পড়ে সময় নষ্ট না করাই ভালো। প্রশ্ন কঠিন হলেও পরীক্ষার হলে সব প্রশ্নের উত্তর করে আসাই শ্রেয়। সবার জন্য শুভকামনা।