হতাশা কাটিয়ে তরুণদের ক্যারিয়ার: ছোট সুযোগেই কাটবে বেকারত্ব

বেকারত্বপ্রতীকী ছবি

বিশ্বজুড়ে অর্থনীতির গতি মন্থর। আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান বাজারেও এর বড় প্রভাব পড়েছে। নতুনদের জন্য শুরুর পথটি এখন চ্যালেঞ্জিং। আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর ‘গ্লোবাল এমপ্লয়মেন্ট ট্রেন্ডস ফর ইউথ’ প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে তরুণদের বেকারত্বের হার বাড়ছে এবং এন্ট্রি লেভেল কাজের সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি কঠিন হলেও চেষ্টা থামিয়ে ঘরে বসে থাকা যাবে না।

যুক্তরাজ্যের তরুণ বেন চালিসের পথচলা আমাদের নতুন আলো দেখায়। বয়স মাত্র ১৯ বছর। কোনো অভিজ্ঞতা না থাকায় বারবার প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন তিনি। কিন্তু থেমে যাননি। হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন তিন সপ্তাহের এক শিক্ষানবিশ সুযোগে। ছোট সেই কাজে নিজের নিষ্ঠা দেখিয়েই তিনি পেয়ে গেছেন স্থায়ী নিয়োগ। বিখ্যাত সংবাদমাধ্যম বিবিসি নিউজ তুলে ধরেছে এই তরুণের বদলে যাওয়ার গল্প।

বাংলাদেশের তরুণ সমাজের সামনেও আজ একই চ্যালেঞ্জ। বিজ্ঞাপনে অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা দেখে অনেকেই হতাশ হয়ে পড়েন। কিন্তু বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ)-এর ‘ফিউচার অব জবস’ রিপোর্ট জানাচ্ছে ভিন্ন তথ্য। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজার এখন পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে ব্যবহারিক দক্ষতা ও মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে।

তাই বর্তমান বিশ্বসংকটের মধ্যেও পথ খুঁজতে হবে তরুণদেরই। পছন্দমতো বড় চাকরির জন্য অলস বসে থাকা ঠিক নয়। শুরুটা হতে পারে ইন্টার্নশিপ, শিক্ষানবিশ কাজ বা পার্টটাইম যেকোনো সুযোগ দিয়ে।

আরও পড়ুন

ছোট যেকোনো কাজ ক্যারিয়ারে তৈরি করবে মজবুত ভিত্তি। এতে অভিজ্ঞতার পাশাপাশি নেটওয়ার্কিং ও আত্মবিশ্বাস—দুটোই বাড়বে। মনে রাখবেন, কোনো শুরুই কখনো ছোট নয়। প্রতিকূলতার সময়ে নেওয়া একটি সচেতন উদ্যোগই আপনাকে পৌঁছে দিতে পারে কাঙ্ক্ষিত সফলতায়।

আরও পড়ুন