করোনাকালে দেশের পাশে সামিট গ্রুপ

কোভিড-১৯ সমস্যায় দেশের পাশে দাঁড়িয়েছে সামিট গ্রুপ। মানবতার প্রতি ভালোবাসায় অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাভাবিক সামাজিক দায়বদ্ধতা বা করপোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) কার্যক্রমের পাশাপাশি সামিট গ্রুপ ও এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান ব্যক্তিগতভাবে সাহায্য করছেন।
সামিট গ্রুপের পক্ষ থেকে বিমানবন্দরের জন্য জরুরি হয়ে পড়া সাতটি থার্মাল স্ক্যানার দেওয়া হয়েছে। এসব স্ক্যানার এখন ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ কয়েকটি বিমানবন্দরে চালু রয়েছে। এ ছাড়া ২ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে সামিট গ্রুপ ও চায়না মার্চেন্ট পোর্টস গ্রুপের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে ২ হাজার সুরক্ষা পোশাক, ৫০ হাজার মাস্ক চীন থেকে ঢাকায় পৌঁছেছে।

প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলেও তিন কোটি টাকা সহায়তা দিয়েছে সামিট গ্রুপ। এ ছাড়া ৫০ লাখ টাকার বেশি মূল্যমানের খাদ্যসামগ্রী বিভিন্ন দাতব্য ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দরিদ্রদের মধ্যে বিতরণ করেছে।
সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান বলেন, করোনাভাইরাসজনিত সংকট চলাকালে কোনো কর্মী ছাঁটাই হবে না। পাশাপাশি সব বেতন, ভাতা বা অন্যান্য সুবিধা কাজনির্বিশেষে নির্ধারিত তারিখে প্রদান করা হবে। গরিব কর্মীদের খাবার সরবরাহের পাশাপাশি কলকাতার গার্ডেনরিচে সামিটের জাহাজে আটকে পড়া ৩০০ ক্রুর জন্য খাদ্য সংগ্রহ ও বিতরণে কাজ করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এর বাইরে নিজ এলাকায় ফিরতে না পারা আট অভিবাসী শ্রমিককেও আশ্রয় দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

মুহাম্মদ আজিজ খান বলেছেন, মানবতাকে সমর্থন করতে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাবেন তাঁরা। ইতিমধ্যে তাঁরা সিঙ্গাপুরে মানসিক চাপ ও সম্পদের দারিদ্র্য দূরীকরণে ‘আঞ্জুমান অ্যান্ড আজিজ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’ গঠন করছেন।