বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুরানা পল্টন থেকে আসা আশফিয়া রহমানের কথায় একই সূর। সেও জিপিএ-৫ পেয়েছে। আশফিয়া বলে, ‘স্কুল শেষ হয়ে গেল। আর তো স্কুলজীবন ফিরে পাব না। যদিও বাসায় বসে সবাই ফলাফল দেখেছি, তবু স্কুলে এসে ফলাফল পাওয়া একটা আলাদা ব্যাপার। একসঙ্গে উদ্‌যাপন করার একটা ব্যাপার তো আছেই।’

default-image

ভালো ফল করে কেমন লাগছে, এমন প্রশ্নে আশফিয়া বলে, ‘এবার এসএসসিতে আমরা সব বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারিনি। বেশ কিছু বিষয়ে আগের মূল্যায়ন অনুযায়ী এবারের ফলাফল হয়েছে। অনেকের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, সঠিক মূল্যায়ন হয়নি। এবার কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বাড়বে।’

আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় ২ হাজার ৬২৫ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাস করেছে ২ হাজার ৬০৮ জন। পাসের হার ৯৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৯৬৫ জন। জিপিএ-৫ পাওয়ার হার ৭৫ শতাংশ।

এবার এসএসসি পরীক্ষায় আইডিয়াল স্কুলে অকৃতকার্য হয়েছে ১৭ পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮ জন বিজ্ঞান ও ৯ জন বাণিজ্য বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল।

default-image

কলেজের অধ্যক্ষ শাহান আরা বেগম বলেন, করোনার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। শিক্ষার্থীরা সারা বছর পড়তে পারেনি। অনেকে ভেবেছে অটো পাস হয়ে যাবে। এবারের পরীক্ষায় কেউ হয়তো একটা পরীক্ষা দিয়েছে, আরেকটাতে অনুপস্থিত ছিল। এ কারণে এবার অনুপস্থিতি বেশি। এক–দুই মাস ক্লাস করে যে পরীক্ষা শিক্ষার্থীরা দিয়েছে, সে অনুযায়ী ভালো করেছে। শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল অনলাইনে।

এবার পরীক্ষার মূল্যায়ন প্রসঙ্গে শাহান আরা বেগম বলেন, তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে, বাকিগুলো আগের পরীক্ষার ফলের ওপর মূল্যায়ন করে হয়েছে। এ মূল্যায়ন খারাপ হয়নি।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন