বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন

ক. কোন অর্থায়নে আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হতে পারে?

খ. তারল্য বনাম মুনাফা নীতিটি ব্যাখ্যা করো।

গ. মি. বাদলের বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে অর্থায়নের কোন নীতি লঙ্ঘিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. মি. বাদলকে একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়া কতটা যৌক্তিক বলে তুমি মনে করো? বিশ্লেষণ করো।

উত্তর

ক. সরকারি অর্থায়নে আয়ের তুলনায় ব্যয় বেশি হতে পারে।

খ. নগদ অর্থ ও মুনাফার মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।

ব্যবসায়ে নগদ অর্থ বেশি রাখলে বিনিয়োগ কম হয়, ফলে মুনাফা কমে যায়। অন্যদিকে, বেশি মুনাফার আশায় অধিক বিনিয়োগ করলে ব্যবসায়ে তারল্য–সংকট হয়, ফলে ব্যবসায় পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটে।

এমতাবস্থায় ব্যবসায় পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ হাতে রেখে অতিরিক্ত অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। তারল্য ও মুনাফার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার এই নীতিকে তারল্য বনাম মুনাফা নীতি বলে।

গ. মি. বাদলের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত অর্থায়নের বৈচিত্র্যায়ণ ও ঝুঁকি বণ্টনের নীতিটি লঙ্ঘিত হয়েছে।

এই নীতির মূল কথা হচ্ছে, তহবিল একটি খাতে বিনিয়োগ না করে একাধিক খাতে বিনিয়োগ করলে ঝুঁকি বণ্টিত হয় ও হ্রাস পায়। মি. বাদল একটি কোম্পানির শেয়ার কিনেছেন। ওই শেয়ারের দরপতন হলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হন।

তাঁর যদি একাধিক কোম্পানির শেয়ার কেনা থাকত, তাহলে একটির দরপতন হলেও অন্যটিতে লাভ হতো। ফলে একটির ক্ষতি অন্যটির লাভ দিয়ে পুষিয়ে নিতে পারতেন। তিনি বড় ধরনের ঝুঁকি বা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতেন । তাই বিনিয়োগের পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যপূর্ণ হওয়া উচিত।

ঘ. মি. বাদলকে একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়াটা অত্যন্ত যৌক্তিক বলে আমি মনে করি।

মি. বাদল তাঁর সব অর্থ দিয়ে একটি কোম্পানির শেয়ার কেনেন। ওই শেয়ারের দরপতন হলে লাভের পরিবর্তে তাঁর ক্ষতি হয়। এমতাবস্থায় তিনি এক অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীর পরামর্শ গ্রহণ করলে বিনিয়োগকারী তাঁকে একাধিক কোম্পানির শেয়ারে বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।

কারণ, তাঁর যদি একাধিক কোম্পানির শেয়ার কেনা থাকে, তাহলে একটির দরপতন হলেও অন্যটিতে লাভ হবে। ফলে একটির ক্ষতি অন্যটির লাভ দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যাবে। তিনি বড় ধরনের ঝুঁকি বা ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবেন।

এভাবে বিনিয়োগের পোর্টফোলিও বৈচিত্র্যপূর্ণ হলে ঝুঁকি বণ্টিত হয় এবং মুনাফার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। তাই বলা যায়, মি. বাদলকে একাধিক প্রকল্পে বিনিয়োগের পরামর্শ দেওয়াটা খুবই যৌক্তিক।

মো. শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া, সিনিয়র শিক্ষক , ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট গার্লস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

এই অধ্যায়ের প্রকাশিত পরবর্তী সৃজনশীল প্রশ্ন

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন