বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের ডিন মোহাম্মদ নাসিম হাসান প্রথম আলোকে বলেন, পূর্বে যে ফি ছিল, তাতে ভর্তি পরীক্ষার পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করার পর ঘাটতি থেকে যেত। এ কারণে এবার ফি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও আবেদন ফি এবার এক হাজার টাকা।

তিন ছাত্র সংগঠনের নিন্দা

ছাত্র ইউনিয়ন বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি প্রত্যয় নাফাক ও সাধারণ সম্পাদক আবীর হাসান বিবৃতিতে বলেন, বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় আবেদন ফি ২০০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। এটি মানুষের সঙ্গে বিদ্রূপ করার শামিল।

ছাত্র ফ্রন্ট বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ইসরাত হক ও সাধারণ সম্পাদক ঋজু লক্ষ্মী বলেন, করনাকালীন সংকট এবং দেশব্যাপী শিক্ষার ক্রমাগত বাণিজ্যিকীকরণের ফলে সারা দেশে শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়ছেন। শিক্ষার ব্যয় বহন করতে পারছেন না অনেকেই। শিক্ষার্থীদের মাথার ওপর এক অসহনীয় চাপ ও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষাব্যয়। এ অবস্থায় ভর্তি পরীক্ষার আবেদন ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অত্যন্ত নিন্দনীয়। ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতার দৃষ্টান্ত।

গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক রাজেশ্বর দাশ গুপ্ত ও সদস্যসচিব শাহ মোহাম্মদ শিহাব বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান হয়ে গেছে। শিক্ষাকে পুরোপুরি বাণিজ্যিক পণ্য বানিয়ে ফেলার পাঁয়তারা চলছে। যখনই এ পাঁয়তারা হয়েছে, তখনই ছাত্রসমাজ বিভিন্ন আন্দোলনের মাধ্যমে তা রুখতে চেষ্টা করেছে। এবারও গণ-আন্দোলনের বিকল্প নেই। অবিলম্বে এ বর্ধিত ফি প্রত্যাহার করতে হবে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন