ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারির পর গত ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন দাখিলের পর ২৭ নভেম্বর কলেজ খুলে দেওয়া হয়। খোলার আগে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় দুই পক্ষের ৩১ ছাত্রকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু তখনো ছাত্রাবাস বন্ধ ছিল। শুধু ছাত্রীনিবাস খুলে দেওয়া হয়েছিল।

প্রধান ছাত্রাবাসের তত্ত্বাবধায়ক ও সহকারী অধ্যাপক মো. রিজোয়ান রেহান প্রথম আলোকে বলেন, রোববার দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের প্রধান ছাত্রাবাসে তোলা হয়েছে। সোমবার তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের তোলা হবে। এভাবে পর্যায়ক্রমে সবাইকে রাখা হবে। তবে আসন নতুন করে বরাদ্দ দেওয়া হবে। নিচতলায় দ্বিতীয় বর্ষ। দ্বিতীয় তলায় তৃতীয় বর্ষ— এভাবে বরাদ্দ দেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ অক্টোবর রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের প্রধান ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মারামারির ঘটনা ঘটে। পরদিন ক্যাম্পাসের সামনে রাস্তায় শিক্ষার্থী মাহাদির ওপর এক পক্ষ হামলা করে। তাতে গুরুতর আহত হন মাহাদি জে আকিব। ২১ দিন চিকিৎসা শেষে তিনি বাড়ি ফিরেছেন। এ ঘটনায় পাল্টাপাল্টি তিনটি মামলা হয়েছে।