ঘটনাটি তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুই সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে উপাচার্যের কাছে কমিটি প্রতিবেদন জমা দেবে।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে রেজিস্ট্রার দপ্তরের বরাত দিয়ে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বলা হয়, এই শিক্ষার্থীদের পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলো।

শিক্ষার্থীরা হলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ইব্রাহীম আলী, ইতিহাস বিভাগের ইসরাফিল হোসেন, সংগীতের আল মামুন রিপন, লোকপ্রশাসনের মেহেদী হাসান, হিসাববিজ্ঞানের রওসন উল ফেরদৌস, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের মেহেদী হাসান, বাংলার শ্রাবণ ইসলাম রাহাত, ব্যবস্থাপনা বিভাগের ফাহাদ হোসেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ওবায়দুল ইসলাম, হিসাববিজ্ঞানের শাহিন ইসলাম ও প্রাণিবিদ্যার আবদুর রহমান অলি।

অভিযোগ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপুলিশ পরিদর্শক নাহিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কোতোয়ালি থানার মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় গত ২৪ মার্চ নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে এক মিছিলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবির সভাপতি মিকদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য ছবিতে তা দেখতে পায়। এরপর তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে গেন্ডারিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় তাঁর বাসা থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ জন শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়। ২৫ তারিখ কোতোয়ালি থানায় করা এক মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন, আটকের পর শিক্ষার্থীদের আদালতের মাধ্যমে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। বর্তমানে তাঁরা কারাগারে আছেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নানা অপতৎপরতার অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, যা সরকারবিরোধী। এমন অপতৎপরতায় যদি তাঁরা যুক্ত থাকেন, তবে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে। তাই তাঁদের সাময়িক বহিষ্কার করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন