বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সশস্ত্র যুদ্ধে আমাদের মুক্তিসেনারা প্রাণ দেন। আর দেশের ভেতরে অবরুদ্ধ জীবন যাপন করতে করতে প্রাণ দেন এ দেশের লাখ লাখ মানুষ। তাঁরা ছিলেন নানা পেশার—কেউ ছাত্র, কেউ কৃষক, কেউ মজুর, কেউ পুলিশ, কেউ সৈনিক। আরও ছিলেন শিক্ষক, সাংবাদিক, সরকারি কর্মকর্তা ও নানা পেশার লোক।

লাখ লাখ নারী-পুরুষ-শিশুর রক্তে ভেজা আমাদের স্বাধীনতা। তাঁদের প্রাণের বিনিময়েই আমরা আজ মুক্ত স্বাধীন দেশে উন্নত শিরে জীবন যাপন করতে পারছি। আমরা কৃতজ্ঞ তাঁদের কাছে। সেই অসংখ্য মহান আত্মদানকারীদের কয়েকজনের কথা আমরা জেনে নিব।

১. নিচের শব্দগুলোর অর্থ লেখো।

পুরোপুরি, মরণপণ, অপেক্ষা, মুক্ত, অবরুদ্ধ, কৃতজ্ঞ, অসংখ্য।

উত্তর

শব্দ— — — — — —অর্থ

পুরোপুরি — — — —সম্পূর্ণ

মরণপণ — — — —জীবন বাজি রাখা

অপেক্ষা — — — —প্রতীক্ষা

মুক্ত — — — — — স্বাধীন

অবরুদ্ধ — — — —বন্দী

কৃতজ্ঞ — — — — উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে

অসংখ্য — — — —অনেক

২. নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লেখো।

ক. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন কেন? দুটি বাক্যে লেখো।

উত্তর: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালিরা দেশকে পুরোপুরি শত্রুমুক্ত করে বিজয় অর্জন করে। আর সে জন্যই দিনটি বাঙালিদের জাতীয় জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন।

খ. বিজয় অর্জন করতে বাঙালিদের কী কী করতে হয়েছিল? চারটি বাক্যে লেখো।

উত্তর: বিজয় অর্জন করার জন্য বাঙালিকে দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করতে হয়েছে। লাখ লাখ নারী-পুরুষ-শিশুকে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। অসংখ্য মানুষ দেশের ভেতর অবরুদ্ধ জীবন যাপন করতে বাধ্য হয়েছে। এ রকম শত কষ্ট, যন্ত্রণা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে বাঙালিরা যুদ্ধে বিজয় অর্জন করেছিলেন।

গ. আমরা কাদের কাছে কৃতজ্ঞ? কেন, তা তিনটি বাক্যে লেখো।

উত্তর: দেশকে স্বাধীন করতে যাঁরা আত্মত্যাগ করেছেন, আমরা তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ। দেশের মাটিকে শত্রুমুক্ত করতে লাখো বাঙালি প্রাণের মায়া ত্যাগ করে যুদ্ধ করেছেন। যাঁরা সরাসরি যুদ্ধে যাননি, তাঁরাও বিসর্জন দিয়েছেন অনেক কিছু, তাঁদের ত্যাগের ফলেই আমরা বিশ্বের বুকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা পেয়েছি।

খন্দকার আতিক, শিক্ষক, উইল্স লিট্ল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

এই বিষয়ের প্রকাশিত পূর্বের পাঠ্যবই-বহির্ভূত অনুচ্ছেদ | পরবর্তী পাঠ্যবই-বহির্ভূত অনুচ্ছেদ

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন