default-image

শখের মৃৎশিল্প

প্রশ্ন: সঠিক উত্তরটি লেখো।

ক. আনন্দপুরে কখন মেলা বসে?

১. ষোলোই ডিসেম্বর ২. পয়লা বৈশাখ

৩. একুশে ফেব্রুয়ারি ৪. বৈশাখে

উত্তর: ২. পয়লা বৈশাখ

খ. মামা কোথায় পড়েন?

১. কলেজে ২. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে

৩. ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউটে

৪. চট্টগ্রামের চারুকলা ইনস্টিটিউটে

উত্তর: ৩. ঢাকা চারুকলা ইনস্টিটিউটে

গ. মৃৎশিল্পের সবচেয়ে প্রাচীন উপাদান হচ্ছে—

১. বাঁশ ২. কাঠ ৩. পানি ৪. মাটি

উত্তর: ৪. মাটি

ঘ. আমাদের সবচেয়ে প্রাচীন শিল্প হচ্ছে—

১. চারুশিল্প

২. মৃৎশিল্প বা মাটির শিল্প

৩. কারুশিল্প ৪. দারুশিল্প

উত্তর: ২. মৃৎশিল্প বা মাটির শিল্প

ঙ. কুমার সম্প্রদায় কিসের কাজ করে?

১. বাঁশের কাজ ২. কাঠের কাজ

৩. পাকা বাড়ির কাজ ৪. মাটির কাজ

উত্তর: ৪. মাটির কাজ

চ. গ্রামের শিল্পীরা রং তৈরি করেন—

১. আম ও লাউ পাতা থেকে

২. শিম ও কাঁঠালগাছের বাকল থেকে

৩. সরিষা ফুল থেকে

৪. পান ও চুন থেকে

উত্তর: ২. শিম ও কাঁঠালগাছের বাকল থেকে

ছ. পোড়ামাটির ফলকের অন্য নাম—

১. টেপা পুতুল ২. টেরাকোটা

৩. শখের হাঁড়ি ৪. মৃৎশিল্প

উত্তর: ২. টেরাকোটা

বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন: মাটির শিল্প বলতে কী বুঝি?

উত্তর: কোনো কিছু যখন সুন্দর করে আঁকা হয়, সুন্দর করে তৈরি করা হয় তখন তা হয়ে ওঠে শিল্প। আর শিল্পের এই কাজ বা সৌন্দর্যকে বলা হয় শিল্পকলা। আমাদের বাংলাদেশে অনেক রকম শিল্পকলা রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন ও অন্যতম হলো মাটির শিল্প। মাটি দিয়ে তৈরি এই শিল্পকর্মের মধ্যে রয়েছে মাটির কলস, হাঁড়ি, সরা, বাসনকোসন, পেয়ালা, সুরাই, মটকা, জালা, পিঠে তৈরির ছাঁচ ইত্যাদি। এই শিল্পের প্রধান উপকরণ হলো মাটি। আর এই শিল্পের প্রধান শিল্পী হলো আমাদের কুমোর সম্প্রদায়। কুমোর সম্প্রদায়ের হাতের নৈপুণ্য ও কারিগরি জ্ঞানের মাধ্যমে মাটি দিয়ে তৈরি শিল্পকর্মকে মাটির শিল্প বলা হয়। মাটির শিল্পের আরেক নাম হলো মৃৎশিল্প।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্ম কোনটি?

উত্তর: শিল্প বলতে আমরা বুঝি কোনো কিছু সুন্দর করে আঁকা, সুন্দর করে গাওয়া, সুন্দর করে তৈরি করা। আর শিল্পের এই কাজ বা সৌন্দর্যকে বলা হয় শিল্পকলা। আমাদের দেশে নানা শিল্পকলা রয়েছে, রয়েছে নানা ধরনের শিল্পকর্ম। এসব শিল্পকর্মের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকলার পরিচয় পাওয়া যায় মাটির শিল্পে। এটা এ দেশের নিজস্ব শিল্প। বৈশাখী মেলায় ও নানা পার্বণে যেসব মাটির জিনিস বিক্রি হয়, সে সবকিছুই মাটির শিল্প। গ্রামের কুমোররা নিপুণভাবে এসব তৈরি করেন। প্রাচীনকাল থেকেই এ দেশে মৃৎশিল্প বা মাটির শিল্পের চর্চা হয়ে আসছে।

ময়নামতির শালবন বিহার, বগুড়ার মহাস্থানগড় ও বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদে যেসব পোড়ামাটির ফলক বা টেরাকোটার নিদর্শন
রয়েছে, সেসব মাটি দিয়েই তৈরি। কাজেই বলা যায়, বাংলাদেশের প্রাচীন শিল্পকর্ম হচ্ছে মাটির শিল্প বা মৃৎশিল্প।

বাকি অংশ ছাপা হবে আগামীকাল

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন