বাংলা | প্রশ্নোত্তর

কাঞ্চনমালা আর কাঁকনমালা

প্রশ্ন: নিচের শব্দগুলো খালি জায়গায় বসিয়ে বাক্য তৈরি করো।

পরস্পরের, বিস্বাদ, আষ্টেপৃষ্ঠে, পুঁটলিটি, ফুরসত, টনটন

ক. তার হাতের রান্না এমন যে মুখেই তোলা যায় না।

খ. বৃদ্ধ লোকটি তার সযত্নে একপাশে রেখে দিল।

গ. লোকটির কাজের চাপ এত বেশি যে দম ফেলার নেই।

ঘ. তার সমস্ত শরীর ব্যথায় করছে।

ঙ. তারা দুজন বন্ধু।

চ. গ্রামের মায়া ছেলেটিকে বেঁধে রেখেছে।

উত্তর

ক. তার হাতের রান্না এমন বিস্বাদ যে মুখেই তোলা যায় না।

খ. বৃদ্ধ লোকটি তার পুঁটলিটি সযত্নে একপাশে রেখে দিল।

গ. লোকটির কাজের চাপ এত বেশি যে দম ফেলার ফুরসত নেই।

ঘ. তার সমস্ত শরীর ব্যথায় টনটন করছে।

ঙ. তারা দুজন পরস্পরের বন্ধু।

চ. গ্রামের মায়া ছেলেটিকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রেখেছে।

প্রশ্ন: রাজা কেন মনে করলেন প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের কারণেই তার এই দশা?

উত্তর: রাজপুত্র রাখাল বন্ধুর কাছে একদিন প্রতিজ্ঞা করেছিল, বড় হয়ে রাজা হলে বন্ধুকে মন্ত্রী বানাবে। কিন্তু রাজপুত্র রাজা হওয়ার পর সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা জীবনে তার প্রতিজ্ঞার কথা ভুলে যায়। রাখাল বন্ধু শত চেষ্টা করেও গরিব হওয়ার কারণে বন্ধু রাজার দেখা পায় না। রক্ষীরা গরিব রাখালকে রাজপ্রসাদের ভিতরে ঢুকতে দেয় না। মনভরা কষ্ট নিয়ে সারা দিন প্রাসাদের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে সে। দিন শেষে মনে কষ্ট নিয়ে দুঃখী রাখাল চলে যায়। এরপর হঠাৎ একদিন ভোরবেলা ঘুম থেকে জাগার পর রাজা দেখে যে তার সারা শরীরে সুচ গেঁথে আছে। তখন তিনি মনে করলেন, রাখাল বন্ধুর সাথে প্রতিজ্ঞা ভঙ্গের অপরাধেই তার এই দশা হয়েছে।

প্রশ্ন: রাজপুত্র কোথায় বসে রাখাল বন্ধুর বাঁশি শুনত?

উত্তর: রাজপুত্র আর রাখাল ছেলে দুই বন্ধু। ওরা একে অন্যকে খুব ভালোবাসে। রাখাল ছেলে মাঠে গরু চরায়, রাজপুত্র গাছতলায় বসে তার জন্য অপেক্ষা করে। নিঝুম দুপুরে রাখাল ওই গাছতলায় আসে। বাঁশি বাজায়। রাজপুত্র সেই গাছতলায় বসে তাঁর বন্ধু রাখালের বাঁশি শুনত।

প্রশ্ন: রাজপুত্র রাখাল বন্ধুর কথা ভুলে যায় কেন?

উত্তর: রাজপুত্র একদিন রাজা হয়। এরপর রাজপুত্র রাখাল বন্ধুর কথা ভুলে যায়। কারণ, লোকলস্কর আর সৈন্যসামন্তে সব সময় মুখর থাকত রাজপুরী। রাজপুরী আলো করে থাকে রানি কাঞ্চনমালা। চারিদিকে সুখ আর সুখ। এত সুখের মধ্যে রাজপুত্র রাখাল বন্ধুর কথা

ভুলে যায়।

প্রশ্ন: অচেনা লোকটি রাজার প্রাণ রক্ষার জন্য এগিয়ে না এলে কী হতো?

উত্তর: অচেনা লোকটি রাজার প্রাণ রক্ষার জন্য এগিয়ে না এলে হয়তো রাজা আর কখনো সুস্থ হয়ে উঠত না। রানি কাঞ্চনমালাকেও সারা জীবন দাসী হয়ে থাকতে হতো। অচেনা লোকটির মন্ত্রবলে রাজার শরীরের সব সুচ নকল রানির চোখেমুখে বিঁধে যায়। রাজা সুস্থ হয়ে ওঠেন। কাঞ্চনমালার দুঃখের দিনও শেষ হয়।

বাকি অংশ ছাপা হবে আগামী শুক্রবার