দেশসেরা শ্রেণিশিক্ষকের পুরস্কার পেয়েছেন বিদ্যালয় পর্যায়ে বরিশালের উজিরপুরের সরকারি ডব্লিউবি ইউনিয়ন মডেল ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক মোসা. সেলিনা আক্তার, কলেজপর্যায়ে সাভার সরকারি কলেজের শিক্ষক এ কে এম সাঈদ হাসান, মাদ্রাসায় বরিশালের সাগরদী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক রিয়াজুল ইসলাম এবং কারিগরি শিক্ষায় দিনাজপুরের পার্বতীপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক পবন কুমার সরকার।

অন্যদিকে দেশসেরা হওয়া চার শিক্ষার্থী হলো বিদ্যালয় পর্যায়ে ময়মনসিংহের সরকারি বিদ্যাময়ী সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী অনুপমা শারমীন, কলেজ পর্যায়ে রাজবাড়ী সরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী কুইন, মাদ্রাসাশিক্ষার্থীদের মধ্যে চট্টগ্রামের ষোলশহরের জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া কামিল মাদ্রাসার স্নাতক (সম্মান) চতুর্থ বর্ষের ছাত্র মুহাম্মদ ফয়সাল আহমদ এবং কারিগরি শিক্ষায় লালমনিরহাটের সরকারি আদিতমারী গিরিজা শংকর মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার্থী মো. রাগীব ইয়াসির রোহান।

পুরস্কার হিসেবে সেরা শিক্ষার্থীরা পেয়েছে প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকার সঙ্গে ক্রেস্ট, মেডেল ও সনদ। আর শ্রেষ্ঠ শ্রেণিশিক্ষকেরা ক্রেস্ট, মেডেল ও সনদের সঙ্গে প্রত্যেকে ১২ হাজার টাকা পেয়েছেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুরস্কার তুলে দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

default-image

‘যা কিছু ভালো তা ঢাকার মধ্যে, সেটা বোধ হয় সঠিক নয়’
করোনায় আক্রান্ত থাকায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ভার্চ্যুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি বলেন ‘ যাঁরা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের সবাই বোধ হয় ঢাকার বাইরের। অনেকেই যে বলেন, যা কিছু ভালো তা ঢাকার মধ্যে আছে, বাইরে কোথাও নেই। সেটা বোধ হয় সঠিক নয়। প্রতিভা কোনো জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে না।’

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড পড়াশোনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এগুলো না হলে পড়াশোনাকে পূর্ণাঙ্গ বলা যাবে না। কাজেই সেভাবেই পড়াশোনাটিকে ভাবতে চেষ্টা করা হচ্ছে। যেখানে শিক্ষার্থীরা খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সামাজিক কর্মকাণ্ড, জ্ঞান, দক্ষতা, মূল্যবোধ—সবকিছু নিয়ে সত্যিকারের সোনার মানুষ হয়ে উঠবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে দুজন ছাত্রী কবিতা আবৃত্তি করে এবং আরেক ছাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ওপর বক্তৃতা করেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. কামাল হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামাণিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন