মজা করে বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে দিলেও রাত গড়াতে সত্যিই ওই শিক্ষার্থীর মন ভালো নেই। কারণ, বিষয়টি নজরে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃপক্ষের। ঘটনা তদন্তে রোববার শিক্ষার্থীর ডাক পড়েছে বিভাগের চেয়ারম্যানের দপ্তরে।

তবে উত্তরপত্রটি কোনো পরীক্ষার অংশ নয় বলে গণমাধ্যমে জানিয়েছে বিভাগ কর্তৃপক্ষ। ওই শিক্ষার্থী মজা করে বৃহস্পতিবার সকালে ছবিটি প্রকাশ করেন।

ওই শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আজকে বিভাগের কোনো পরীক্ষা ছিল না। এই অতিরিক্ত উত্তরপত্রটি কিছুদিন আগে আমাদের ক্লাসরুমে পড়ে থাকায় বাসায় নিয়ে এসেছিলাম। পরে বৃহস্পতিবার সকালে উত্তরপত্রটিতে এই কথাটি লিখে সকালে ফেসবুকে পোস্ট করি। পরে অনেকেই বিষয়টি ঠিক হয়নি জানালে আমি তা সরিয়ে নেই। তবে অনেকে ছবিটি সংগ্রহ করে রাখায় এবং স্ক্রিনশট নেওয়া যায় তা ছড়িয়ে পড়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মমিন উদ্দীন গণমাধ্যমে বলেন, ঘটনাটির জন্য ওই শিক্ষার্থী ভুল স্বীকার করেছেন। রোববার তাঁকে বিভাগে ডাকা হয়েছে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন