বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউজিসির সচিব ফেরদৌস জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোর জন্য আমরা দেড় শ কোটি টাকা চেয়েছিলাম। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫০ কোটি টাকা। এ টাকা ভাগ করে হল কর্তৃপক্ষকে বিতরণ করা হবে। শিক্ষার্থীর সংখ্যার অনুপাতে একেকটি হল অর্থ পাবে। অর্থপ্রাপ্তির দুই মাসের মধ্যে সংস্কারকাজ শেষ করতে হবে।’


ফেরদৌস জামান আরও বলেন, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বরাদ্দের খাত চূড়ান্ত হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাছে টাকা পৌঁছে দেবে ইউজিসি। বরাদ্দের টাকা যাতে কেউ নয়ছয় করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকবে ইউজিসি।


বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোয় শিক্ষার্থীদের গাদাগাদি করে থাকতে হয়। তাই হলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা পুরোপুরি নিশ্চিত করতে হলে বরাদ্দের পরিমাণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর। এ বিষয়ে তিনি বলেন, বরাদ্দের ৫০ কোটি টাকা পর্যাপ্ত নয়। রক্ষণাবেক্ষণ কাজের পেছনেই এ অর্থ ব্যয় করতে হবে।

শিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন