দীপু মনি বলেন, ‘যাঁরা বইয়ে ভুল শনাক্ত করেছেন, তাঁদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। নবম-দশম শ্রেণির বইয়ে কিছু ভুল শনাক্ত হয়েছে। এ বছর শিক্ষার্থীরা বইগুলো খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছে বলেই ভুলগুলো ধরা পড়েছে। আমি শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। শিক্ষার্থীদের এই মনোযোগ পাঠ্যবইগুলোর মান উন্নত করতে এবং আরও নির্ভুল করতে সহযোগিতা ও অনুপ্রাণিত করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘করোনার সময়টা বিশ্ববাসীর জন্য কষ্টকর ছিল। করোনাকালীন সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রেখেছে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আমরা অনলাইন ক্লাসের কার্যক্রম সফলভাবে করতে পেরেছি। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা খুব খুশি।’

চলতি মাসেই শিক্ষার্থীদের সব বই পৌঁছে দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গত বছর কাগজশিল্প বিরাট একটা সংকটের সম্মুখীন ছিল। কাগজের একটা বড় সংকট ছিল। ডলার পরিস্থিতির কারণে আমরা আমদানির দিকেও যেতে পারিনি। এরপরও সব শিল্পের সহযোগিতায় ১ জানুয়ারি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৮০ শতাংশ বই পৌঁছে দিতে পেরেছি। বাকি বইগুলো এ মাসের মধ্যেই আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেব।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ব্রিটিশ ফার্স্ট লেডি চেরি ব্লেয়ার, সমাবর্তন বক্তা ছিলেন নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ইমেরিটাস জন সেক্সটন। সমাবর্তনে ছয়জনকে এনডি মাতসুই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

এদিকে তিন বছর পর হলেও সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত ছিলেন শিক্ষার্থীরা। সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস মুখরিত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের পদচারণে। চারদিকে ছিল উৎসবের আমেজ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ১৮ দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা। করোনার কারণে গত তিন বছর সমাবর্তন হয়নি। এবার ২০২০, ২০২১, ২০২২ শিক্ষাবর্ষের ৩০০ স্নাতককে সনদ প্রদান করা হয়।