বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক শাখার ডেপুটি রেজিস্ট্রার এস এম আকবর হোছাইন প্রথম আলোকে বলেন, অন্যান্যবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেশি, শতভাগ। এ কারণে আবেদনও বেশি জমা পড়েছে। গতবার আবেদন করেছিলেন ১ লাখ ৬২ হাজার শিক্ষার্থী।

কোন ইউনিটে কতজন লড়বেন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবারও চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটের মাধ্যমে পরীক্ষা হবে। ‘এ’ ইউনিটে আসন রয়েছে ১ হাজার ২১২টি। এক আসনে লড়বেন ৫৮ জন। ‘বি’ ইউনিটের আসনসংখ্যা ১ হাজার ২২১। ফলে একটি আসনের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৩৭ জন। ‘সি’ ইউনিটে আসন রয়েছে ৪৪১টি, লড়বেন ৩২ জন। ‘ডি’ ইউনিটের আসনসংখ্যা ১ হাজার ১৬০, লড়বেন ৪৯ জন। এ ছাড়া ‘বি-১’ উপ-ইউনিটে আসনসংখ্যা ১২৫, লড়বেন ২৭ জন। ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটে আসনসংখ্যা ৩০, লড়বেন ১৬৭ জন।

স্বাস্থ্যবিধি মানানোই চ্যালেঞ্জ

করোনা ঠেকাতে সামাজিক দূরত্ব মানা, মাস্ক পরা ও হাত স্যানিটাইজ করার ওপর গুরুত্ব দিতে বলছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা। মাস্ক পরা ও হাত স্যানিটাইজ করা গেলেও এবার ভর্তি পরীক্ষায় সামাজিক দূরত্ব মানানো কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সন্দিহান শিক্ষকেরা।

জ্যেষ্ঠ শিক্ষকেরা বলছেন, ভর্তি পরীক্ষা একটি বিরাট কর্মযজ্ঞ। শিক্ষক, পরীক্ষার্থী, অভিভাবক মিলিয়ে একটি ইউনিটের পরীক্ষায় লাখ দেড়েক মানুষের সমাগম হয়। দূরদূরান্ত থেকে আগেভাগেই শিক্ষার্থীরা চলে আসেন। ফলে এবার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা। এ কারণে আগে থেকেই কার্যকর প্রস্তুতি রাখতে হবে।তাঁরা বলছেন, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় যাতায়াতব্যবস্থার ওপর নজর দিতে হবে। ট্রেনের সূচি গতবারের তুলনায় বাড়িয়ে দিতে হবে। অন্যান্য পরিবহনেরও ব্যবস্থা রাখতে হবে।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, ক্যাম্পাসে এক পালায় ২২ হাজার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে। কিন্তু নেওয়া হবে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার বা আরও কম। পরীক্ষা নেওয়া হবে বেশ কয়েকটি পালায়। এ ছাড়া স্বাস্থ্যবিধি মানাতে আরও যা করা দরকার, সে প্রস্তুতিও কর্তৃপক্ষ রাখছে।

default-image

পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে না এলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর কথা ভাববে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তবে পরীক্ষা পেছানোর কোনো সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।

কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে আগামী ২২ ও ২৩ জুন, ‘ডি’ ইউনিটে ২৪ ও ২৫ জুন, ‘এ’ ইউনিটে ২৮ ও ২৯ জুন, ‘সি’ ইউনিটে ৩০ জুন এবং ‘বি-১’ ও ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটে ১ জুলাই।

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন এস এম সালামত উল্যা ভূঁইয়া বলেন, পরীক্ষার সময় যাতায়াতব্যবস্থার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। তখন লকডাউন থাকলে কিংবা করোনা পরিস্থিতি আরও নাজুক থাকলে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা পেছানো হয়েছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকেও নজর রাখা হচ্ছে। সবশেষে করোনা পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

প্রবেশপত্র ডাউনলোড

‘বি’ ইউনিট আগামী ৭ জুন, ‘ডি’ ইউনিট ৯ জুন, ‘এ’ ইউনিট ১৩ জুন, ‘সি’ ইউনিট ১৫ জুন, ‘বি-১’ ও ‘ডি-১’ ‘উপ-ইউনিট ১৬ জুন থেকে উন্মুক্ত হবে প্রবেশপত্র ডাউলোডের জন্য। প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগপর্যন্ত ডাউনলোড করা যাবে প্রবেশপত্র।

ভর্তি থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন