কারিগরি শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে কলেজে ভর্তির সুযোগ
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর এবার একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হবে ২৬ মে। আগের মতো এবারও একাদশ শ্রেণিতে কোনো বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা হবে না। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আগামী ১১ জুন পর্যন্ত চলবে এ প্রক্রিয়া। এবার তিন ধাপে আবেদন নেওয়া হবে। নির্ধারণ করা হয়েছে কলেজে ভর্তির সর্বোচ্চ ফি।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত একাদশ শ্রেণির ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, চলতি বছর অনলাইনে নির্ধারিত ওয়েবসাইটে (www.xiclassadmission.gov.bd) একাদশ শ্রেণির ভর্তির আবেদনের কার্যক্রম চলবে। অনলাইন ছাড়া শিক্ষার্থীরা ভর্তির আবেদন করতে পারবে না। শিক্ষার্থীদের আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫০ টাকা। ১৫০ টাকা আবেদন ফি দিয়ে সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে পছন্দক্রম দিতে হবে। একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, এগুলোর মধ্য থেকে তার মেধা, কোটা ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে একটিমাত্র কলেজে ভর্তির অবস্থান নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা এবার উচ্চমাধ্যমিকে মূল ধারায় ভর্তির সুযোগ পাচ্ছে। তাদের কলেজে ভর্তির সুযোগ দিয়ে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত নীতিমালার ২.৩.৬ ধারায় বলা হয়েছে, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষর্থীরা সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের যেকোনো গ্রুপে ভর্তির আবেদন করতে পারবেন।
ঢাকার নটর ডেম কলেজসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া একাদশ শ্রেণির ভর্তিতে কোনো বাছাই পরীক্ষা হয় না। এসএসসি ও সমমানের ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। একজন শিক্ষার্থী যতগুলো কলেজে আবেদন করবে, তার মধ্য থেকে শিক্ষার্থীর মেধা, কোটা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও পছন্দক্রমের ভিত্তিতে ভর্তির জন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তার অবস্থান নির্ধারণ করা হয়।
গত রোববার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ১৩ হাজার ৫৯৭ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৬ লাখ ৭২ হাজার ১৫৩ জন। সারা দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিযোগ্য আসন আছে ২৫ লাখের মতো।
**একাদশে ভর্তির নীতিমালাটি দেখুন এখানে