অনুষ্ঠানে নবীনদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক পারভীন হাসান, রেজিস্ট্রার ইলিয়াস আহমেদ, ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজী জাহেদুল হাসান, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার বিভাগের চেয়ারপারসন আবদুস সেলিম, বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের চেয়ারপারসন হাসান শিরাজী, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন মোছা. শাহনাজ পারভীন, সোশিওলজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন ফজিলা বানু লিলি, জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন সজীব সরকার এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক মালেকা বেগম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক জারিন তাসনিম।

হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশ একটি চমৎকার দেশ। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ অভাবনীয় উন্নতি করেছে যা কেউ ভাবতে পারেনি। এমন একটি দেশে এমন একটি সময়ে তোমরা জন্মেছ, এটা খুব ভাগ্যের ব্যাপার। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই কানাডার সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সম্পর্ক এখন আরো গভীর। আমরা দুই দেশই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ নানা বিষয়ে সমমনা।

default-image

নবীনদের উদ্দেশ্যে উপাচার্য অধ্যাপক পারভীন হাসান বলেন, আমরা চাই তোমরা যেন লেখাপড়া করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারো। আমাদের শিক্ষকদের সবাই খুব যোগ্য, মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ। তোমাদের সহযোগিতা করতে তারা সবসময় প্রস্তুত। তোমরা শিক্ষকদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখবে। তারা সবসময় তোমাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেবেন। তোমাদের অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ দিতে চাই, তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তোমাদের পড়ালেখার জন্য বেছে নিয়েছেন। এখন আমি তাদের অনুরোধ করব, আপনারা আপনাদের মেয়েদের পড়াশোনা সফলভাবে শেষ হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা করবেন। তারা যেন মাঝপথে ঝরে না পড়ে।'

অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক নারী নোবেলসহ অনেক বড় পুরস্কার পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। তোমরাও নিজেদের যোগ্য করে তুলবে এবং সামনে এগিয়ে যাবে। শিক্ষার মাধ্যমেই নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব।’

অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার লিলি নিকোলসকে উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক ক্রেস্ট উপহার দেন পারভীন হাসান। অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পিংকি রানি দাস ও হামিদা সরকার। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন ফারহিন মাহবুব, জান্নাতুল ফেরদৌস শানু ও আছিয়া খাতুন। অভিভাবকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঁখি সরকার। বিজ্ঞপ্তি

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন