সেরা শর্টফিল্ম মূল্যায়নের জন্য বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং নূরুল আলম আতিক। স্ক্রিপ্ট রাইটিংয়ের বিচারক হিসেবে থাকবেন সরকারি অনুদানে নির্মিত ‘কালের পুতুল’ খ্যাত নির্মাতা আকা রেজা গালিব। এ ছাড়া বিইউপির চলচ্চিত্র-উৎসুক শিক্ষার্থীদের জন্য দুটি মাস্টারক্লাসেরও আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে উপস্থিত থাকবেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম ও ‘ঢাকা অ্যাটাক’ খ্যাত নির্মাতা দীপংকর দীপন।

বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের মডারেটর এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক সঞ্জয় বসাক পার্থ বলেন, ‘বিইউপি ফিল্ম ক্লাব তরুণ চলচ্চিত্র উৎসাহীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি প্ল্যাটফর্ম প্রদান করেছে। সিনেমা শুধু বিনোদনের খোরাক নয়, বরং সমাজ এবং সংস্কৃতির প্রতিফলন, যা আমাদের সত্তাকে আলোকিত করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বকনিষ্ঠ ক্লাব হওয়া সত্ত্বেও বিইউপি ফিল্ম ক্লাব বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমান সময়ে গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।’

ফিল্ম ফেস্টের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিইউপির উপাচার্য মেজর জেনারেল মো. মাহবুব-উল আলম। এ ছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অভিনেতা আবুল হায়াত। এ ফেস্টে প্রদর্শিত হবে বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের নির্মিত প্রথম শর্ট ফিল্ম ‘মুদ্রাকথন’। এ ছাড়া শোকের মাস আগস্টের ভাবগাম্ভীর্য স্মরণে প্রদর্শিত হবে বঙ্গবন্ধুর ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র।

বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি মো. জাহিদুর রাব্বী বলেন, ‘আমাদের প্রজন্ম সিনেমা এবং ওয়েব সিরিজের প্রতি ব্যাপকভাবে আগ্রহী। সিনেমা আমাদের সমাজে নিত্যনতুন চলন (ট্রেন্ড) তৈরি করে এবং সমাজসংস্কারে সহায়তা করে। একইভাবে সিনেমা আমাদের এই পুঁজিবাদী সমাজের যান্ত্রিকতা থেকে বিরতি দেয়। বিইউপি ফিল্ম ক্লাব সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বর্তমানের তরুণদের মধ্যে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে, যার ফলে তারা তাদের দক্ষতা, চিন্তাধারা এবং নিজের মূল্যবোধ প্রদর্শন করতে পারে।’

এর আগে বিইউপি ফিল্ম ক্লাব ২০১৯ এবং ২০২১ সালে চলচ্চিত্র উৎসবের আয়োজন করেছিল। এ ছাড়া ক্লাবটি লকডাউনের সময় ‘সেলুলয়েড স্টোরিস ১.০’ নামের একটি অনলাইন শর্টফিল্ম তৈরির প্রতিযোগিতা আয়োজন করে।

default-image

বিইউপি ফিল্ম ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল সোয়াদ বলেন, ফিল্ম ফেস্ট আয়োজন করার মূল লক্ষ্যই হলো উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতাদের জন্য একটা আদর্শ মঞ্চ তৈরি করা, যেখানে তারা নিজেদের কাজ, দক্ষতা এবং বুদ্ধিমত্তা প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ-তরুণীরা এখান থেকে জানার, শেখার ও শেখানোর সুযোগ পাবে। বিজ্ঞপ্তি

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন