ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের ফেলোশিপ তরুণ উদ্যোক্তাদের পাশে ব্র্যাক
দেশের অনেক তরুণ হাঁটছেন নতুন স্টার্টআপ বা উদ্যোগ তৈরির পথে। তরুণদের এসব উদ্ভাবন ও সামাজিক উদ্যোগকে টেকসই রূপ দিতে পাশে দাঁড়িয়েছে ব্র্যাক। ব্র্যাকের ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে ‘আমরা নতুন তরুণ সামাজিক উদ্যোক্তা ফেলোশিপ প্রোগ্রাম’। এই ফেলোশিপের আওতায় নির্বাচিত তিনটি উদ্ভাবনী উদ্যোগকে প্রাথমিক পর্যায়ে আর্থিক সহায়তা বা সিড ফান্ডিং দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি উদ্যোগ পেয়েছে ন্যূনতম তিন লাখ টাকা।
রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল ২০২৬) এই ফেলোশিপের লেটার অব অ্যাগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়। ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্ তরুণ উদ্যোক্তাদের হাতে ফেলোশিপের স্বীকৃতি হিসেবে প্রতীকী চেক তুলে দেন। এ সময় আসিফ সালেহ্ ফেলোশিপজয়ী তরুণদের কথা শোনেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে তাঁদের পরামর্শ দেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্মের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান।
এ বছর ফেলোশিপে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে ‘আমরা নতুন ইয়াং চেঞ্জমেকার্স অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’-এর বিজয়ী তিনটি দল—‘স্টোরিজ অব ইনক্লুশন’, ‘জলশিখা’ এবং ‘গুড্ডু টয়েজ’। এর মধ্যে ‘স্টোরিজ অব ইনক্লুশন’ প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অডিও বুক তৈরি করছে, নারকেলের খোসা থেকে পরিবেশবান্ধব চারকোল উৎপাদনের প্রকল্প ‘জলশিখা’ এবং শিশুদের জন্য শিক্ষামূলক খেলনা তৈরির প্রকল্প ‘গুড্ডু টয়েজ’। সৃজনশীলতা, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে এই উদ্যোগগুলো।
ফেলোশিপবিজয়ী তরুণদের পক্ষ থেকে মুসাররাত জাহান এশা, মারিয়া জাহান রিভা এবং হাসিবুল হাসান তাঁদের প্রকল্প, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা ও স্বপ্নগুলো তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ফেলোশিপ প্রোগ্রামটি তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। যেখানে তাঁরা পাবেন সামাজিক উদ্যোক্তা হিসেবে ক্লাসরুমভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, মেন্টরশিপ, নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ এবং সিড ফান্ডিং। পাশাপাশি ফেলোশিপের দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের জন্য ইন্ডাস্ট্রি ভিজিটের সুযোগ রাখা হয়েছে, যেখানে তাঁরা প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তাদের সঙ্গে সরাসরি অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারবেন।