কফিল উদ্দিনের মতো আরও অনেকেই, যাঁরা প্রাযুক্তিক দক্ষতায় পেশাগত উন্নয়নের জন্য এমএসসি ডিগ্রি অর্জন করতে চাইছিলেন, তাঁরা ভর্তি হচ্ছেন ইডিইউর স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামটিতে। এমএসসি ইন সিএসইর পাশাপাশি ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (ইটিই) নিয়েও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের সুযোগ দিচ্ছে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি। যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসিকৃত শিক্ষার্থীরা এতে ভর্তি হতে পারছেন। চলমান ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন ৪.০–এর প্রয়োজনীয়তা বুঝে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলায় গুরুত্ব দিয়ে সাজানো হয়েছে কারিকুলাম। পাশাপাশি সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে গবেষণাতেও।

ইডিইউর প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আল নোমান বলেন, ‘দেশের ভবিষ্যতের ভিত গড়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হচ্ছে ইডিইউ। চলমান শিল্পবিপ্লবে আমাদের শিক্ষার্থীরাই যাতে নেতৃত্ব দিতে পারে, সে লক্ষ্যে কারিকুলামে রোবোটিক্স, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি, স্মার্ট মেশিন, অগমেন্টেড রিয়েলিটি, ইন্টারনেট অব থিংস, ব্লক চেইন, ডেটা সায়েন্স—এ ধরনের অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে গুরুত্ব দিচ্ছি।’

উপাচার্য মুহাম্মদ সিকান্দার খান বলেন, স্নাতকোত্তর বা মাস্টার্স প্রোগ্রামের মূল বিশেষত্ব হলো গবেষণা। চট্টগ্রামের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে গবেষণানির্ভর শিক্ষার সুযোগ আগ্রহী শিক্ষার্থীর তুলনায় খুবই কম। ইডিইউর স্নাতকোত্তর প্রোগ্রামগুলো এ অভাব কিছুটা হলেও পূরণ করছে। বিজ্ঞপ্তি

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন