ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বাংলাদেশে ব্যাংকাস্যুরেন্স: নিয়ন্ত্রক, পরিচালন ও বিক্রয় প্রস্তুতি’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশের ব্যাংকিং ও বিমা খাতের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, গ্রাহকবান্ধব বিমা সেবা সম্প্রসারণ ও ব্যাংকাস্যুরেন্স কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ‘ব্যাংকাস্যুরেন্স ইন বাংলাদেশ: রেগুলেটরি, অপারেশনাল অ্যান্ড সেলস রেডিনেস’ শীর্ষক দুই দিনের কর্মশালা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের মাস্টার অব প্রফেশনাল ব্যাংকিং (এমপিবি) প্রোগ্রাম ও ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেড যৌথভাবে কর্মশালার আয়োজন করেছে। ১০ ও ১১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের নবম তলায় অবস্থিত প্রফেসর ড. আবদুল্লাহ ফারুক মাল্টিপারপাস হলে কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়।
গতকাল শুক্রবার বেলা তিনটায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাহমুদ ওসমান ইমাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম জাহিদ এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের অধ্যাপক মো. মাইন উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট মো. রাশেদ আকতার, এমপিবি প্রোগ্রামের সমন্বয়ক অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এবং ব্যাংকার্স ক্লাব অব বাংলাদেশ লিমিটেডের লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান (আরিয়ান)। অতিথিরা বক্তব্যে বাংলাদেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি, বিমা সেবার পরিধি সম্প্রসারণ এবং গ্রাহকদের জন্য সহজ, উপযোগী ও নির্ভরযোগ্য বিমা পণ্য নিশ্চিত করতে ব্যাংকাস্যুরেন্সের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
দুই দিনব্যাপী কর্মশালায় মোট আটটি বিশেষায়িত সেশনের আয়োজন করা হয়। প্রথম দিনের সেশনগুলোয় বাংলাদেশের ব্যাংকাস্যুরেন্স খাতের বর্তমান অবস্থা, বাংলাদেশ ব্যাংক ও বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রক কাঠামো, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বের মডেল, চুক্তি প্রণয়ন ও বিভিন্ন গ্রাহক শ্রেণির উপযোগী বিমা পণ্য নিয়ে আলোচনা করা হয়।
দ্বিতীয় দিনে ব্যাংকাস্যুরেন্স কার্যক্রমের পরিচালন প্রস্তুতি, ব্যাংক ও বিমা প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিগত সমন্বয়, কেওয়াইসি ও মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ব্যবস্থা, প্রিমিয়াম সংগ্রহ, দাবি নিষ্পত্তি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক সুরক্ষা, ভুল বা বিভ্রান্তিকর বিক্রয় প্রতিরোধ, বিক্রয়কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ব্যাংকাস্যুরেন্স কার্যক্রম চালুর প্রস্তুতি ও কর্মদক্ষতা পরিমাপক বা কেপিআই নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কর্মশালায় সফলভাবে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ১৭ জুলাই সনদ বিতরণ করা হবে।