মূল বক্তব্যে ক্রিস্টোফার ব্যারি ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে বলেন, কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সাহসী হতে হবে। প্রযুক্তি নিজ থেকে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। প্রযুক্তিকে সমস্যা সমাধানের উপযোগী করে তৈরি করতে হয় এবং সেটাই উদ্যোক্তাদের ইনোভেশন।

কঠোর পরিশ্রম করতে হবে এবং সাহসী হতে হবে। প্রযুক্তি নিজ থেকে কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। প্রযুক্তিকে সমস্যা সমাধানের উপযোগী করে তৈরি করতে হয় এবং সেটাই উদ্যোক্তাদের ইনোভেশন।
ক্রিস্টোফার ব্যারি, ইউএস বার্কলে সুতারদজা সেন্টার ফর এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড টেকনোলজির গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর

সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য মেসবাহ কামাল শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উদ্দেশে বলেন, ‘প্রযুক্তি আমাদের জীবনকে নতুনভাবে ঢেলে সাজাবে। নতুনভাবে সাজানো এ জীবনের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রযুক্তি ব্যবস্থাপক ও উদ্যোক্তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। আর এ কারণে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ব্যবস্থাপনার সমন্বয় সাধনে সর্বদা সচেষ্ট আছে।’

দ্বিতীয় অংশে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আসা অতিথি ছাড়াও বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, ছাত্র ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।