এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল, নাটোর-১ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল শেখ শামীম হোসেন (অব.), বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকমণ্ডলী, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

এই ল্যাবে স্থান পেয়েছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি। প্রতি ব্যাচে ১৫ জন শিক্ষার্থী এ ল্যাব ব্যবহার করে নতুন নতুন মোবাইল অ্যাপস ও গেম তৈরির সুযোগ পাবেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল লেকচার হলে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, বাউয়েট এখন থেকে উদ্ভাবনী সংস্কৃতিতে যুক্ত হলো। এখানে মোবাইল অ্যাপস, গেম টেস্টিং ল্যাবসহ তিনটি ল্যাবে শিক্ষার্থীরা তাঁদের উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগাতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে এখানে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সি ল্যাব, রোবোটিক ল্যাব ও সাইবার সিকিউরিটি ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হবে। এসব ল্যাব ব্যবহার করে শিক্ষার্থীরা সৃষ্টিশীল হয়ে উঠবেন। তাঁরা চাকরি করবেন না, অন্যদের চাকরির সুযোগ করে দেবেন। তিনি আরও বলেন, এখানকার মোমিনুলসহ দুজন শিক্ষার্থী টিম মহাকাশের সদস্য হিসেবে বিশ্ব জয় করেছেন।

নাম উল্লেখ না করে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ বলেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র দেশের সেরা ৪০ জন সাইবার সিকিউরিটি স্পেশালিস্টের একজন। তিনি বিশ্বের ৫০০ জনের মধ্যেও একজন। মানবকল্যাণে এখানকার শিক্ষার্থীরা আরও দক্ষ হয়ে উঠবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও ৩টি প্রকল্পে ৩০ লাখ টাকা প্রণোদনা দেওয়ারও ঘোষণা দেন।

অনুষ্ঠানে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ-২০২১ বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দিয়ে সম্মানিত করা হয়।

ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন