বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, করোনা সংক্রমণ রোধে দীর্ঘ ১৯ মাস বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ছিল। এতে বিভিন্ন বিভাগের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা আটকে ছিল। সবশেষ সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরীক্ষাগুলো নেওয়া শুরু হয়েছে।

ক্যাম্পাসে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষার হলরুমে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করানো হয়। প্রবেশের আগে মাস্ক ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে প্রতিটি ব্রেঞ্চে একজন করে শিক্ষার্থী বসানো হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রাহাত মিনহাজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটি ভীষণ আনন্দের বিষয়। আবারও সশরীর একাডেমিক কাজ শুরু হলো। আমরা এই দিনের অপেক্ষায় ছিলাম। আজ বিভাগে উৎসবের আমেজ। আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার চেষ্টা করছি।’

সকালে বিভিন্ন বিভাগের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য কামাল উদ্দীন আহমেদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ক্যাম্পাস বন্ধ থাকার পর পরীক্ষা নেওয়া আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে আজ শিক্ষার্থীদের উৎসব দেখে আমাদের সব কষ্ট দূর হয়ে গেছে। এভাবেই তাঁরা এগিয়ে যাবে। আশা করি, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরীক্ষা শেষে আমরা সশরীর ক্লাস নিতে পারব।’

পরীক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন