একাধিক বইয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একসঙ্গে

ভর্তি পরীক্ষায় মূল বই পাঠের বিকল্প নেই। রেটিনা তাই মূল বইয়ে গুরুত্ব প্রদান করে। কিন্তু বর্তমানে যেহেতু বইয়ের সংখ্যা অনেক এবং প্রতিটি বইয়ের কিছু বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে, যা ভালো প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ—সেগুলোকে এক মলাটে বন্দী করে রেটিনা, যা ‘রেটিনা ডাইজেস্ট’ নামে পরিচিত। রেটিনা ডাইজেস্ট মূল বইয়ের সহযোগী, কখনোই প্রতিস্থাপক নয়। মূল বই, রেটিনা ডাইজেস্ট এবং কৌশলী ক্লাসগুলো শিক্ষার্থীদের ভালো ফলের জন্য খুব কার্যকর।

যথাযথ ও নিখুঁত মূল্যায়নের পদ্ধতি

প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর প্রস্তুতি সঠিকভাবে যাচাই করতে রেটিনা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রেটিনার ক্লাস টেস্ট, টিউটোরিয়াল ও মডেল টেস্টের প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয় মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনুকরণে। রেটিনা কখনো এমন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয় না, যা অতিরিক্ত সহজ, শিক্ষার্থীদের বায়বীয় আত্মবিশ্বাসের চূড়ান্তে পৌঁছে দেয়; কিংবা অতিরিক্ত কঠিন প্রশ্ন, যা শিক্ষার্থীদের হতাশা বাড়িয়ে তোলে। মানসম্মত ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের আলোকে প্রণীত প্রশ্নপত্র সমাধান করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার জন্য যোগ্য হয়ে ওঠে। ১৯ হাজারের মতো প্রশ্ন সমাধান করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মস্তিষ্ককে আরও ক্ষুরধার করে তুলতে সাহায্য করে, যা অতি অল্প সময়ে সঠিক উত্তর বাছাইয়ে সর্বোচ্চ দক্ষ এবং পরীক্ষার হলে মাথা ঠান্ডা রাখার ব্যাপারে সবচেয়ে কৌশলী ও ধৈর্যশীল হতে ভূমিকা রাখে।

নিয়মিত ক্লাস-উপস্থিতি মনিটরিং এবং রেজাল্টভিত্তিক পদক্ষেপ

শিক্ষার্থীরা যাতে নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকেন, সে লক্ষ্যে কঠোরভাবে তাঁদের উপস্থিতি মনিটরিং করা হয়। পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী অভিভাবকসহ মিটিংয়ের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণভাবে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

রেটিনার সমৃদ্ধ প্রকাশনা

রেটিনা ডাইজেস্ট: যদিও মূল বইকেই রেটিনা সবচেয়ে প্রাধান্য দিয়ে থাকে, তারপরও শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতিকে অনেক বেশি সহজ, কার্যকর ও সংক্ষিপ্ত করে তুলতে আছে সমৃদ্ধ ‘রেটিনা ডাইজেস্ট’।

গাইড: প্রতিটি পরীক্ষার প্রস্তুতির সময় নিজেকে যাচাইয়ের জন্য রয়েছে রেটিনা গাইড, যাতে শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে প্রতিটি অধ্যায়ের জন্যই আলাদাভাবে অনুচ্ছেদভিত্তিক নমুনা প্রশ্ন এবং প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা।

প্রশ্নব্যাংক: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সম্যক ধারণা দিতে রেটিনা শিক্ষার্থীদের প্রশ্নব্যাংক প্রদান করে থাকে। এতে আছে গত ১০ বছরের মেডিকেল ও ডেন্টাল ভর্তি পরীক্ষার সব প্রশ্ন, তার সমাধান এবং প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা। এ ছাড়া ঘরে বসে নিজের প্রস্তুতিকে যাচাই করার জন্য সংযোজন করা হয়েছে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ ১৫টি মডেল টেস্ট।

ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান ডাইজেস্ট: জীববিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পাশাপাশি ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞানের দুর্বলতা কাটিয়ে তুলতে ইংরেজি ও সাধারণ জ্ঞান ডাইজেস্ট ক্লাস নেওয়া হয়।
মডেল টেস্ট ও অনুশীলনের ব্যবস্থা: ভর্তি পরীক্ষার আগে বাসায় বসেই নিজেকে যাচাই করার জন্য মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের অনুরূপ ১০০ নম্বরের মোট ৩২টি মডেল টেস্ট দেওয়ার ব্যবস্থা।

মাইক্রোসাজেশন: মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার আগে সর্বাধিক কমনের নিশ্চয়তা নিয়ে দেওয়া হয় মাইক্রোসাজেশন।

রেটিনা এক্সক্লুসিভ
দেশসেরা মেডিকেল কলেজের শিক্ষক: রেটিনার শিক্ষকদের মধ্যে আছেন দেশসেরা মেডিকেল কলেজের অভিজ্ঞ তরুণ ডাক্তার ও ছাত্ররা, যাঁরা তাঁদের অভিজ্ঞতার আলোকে পরীক্ষায় কোন ধরনের প্রশ্ন বেশি আসে, সে ব্যাপারে দিকনির্দেশনা দেন।

ছাত্র ও ছাত্রীদের আলাদা ব্যাচ: কোচিংয়ের সময়টুকু শিক্ষার্থীদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সংগ্রামের সময়। এই সময়ের সামান্য ভুল বা অবহেলা পরবর্তী জীবনে আফসোসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ ধরে রাখার জন্য রেটিনা ছেলে ও মেয়েদের আলাদা ব্যাচের আয়োজন করেছে। রেটিনার এ আয়োজন অভিভাবকমহলেও সমাদৃত হয়েছে।

অভিভাবক সমাবেশ: অভিভাবকদের তাঁদের সন্তানদের পড়াশোনার সার্বিক অবস্থা প্রতিদিন খুদে বার্তার মাধ্যমে অবগত করার পাশাপাশি রেটিনা কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যে অনলাইন বা অফলাইনে অভিভাবকদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে থাকে, যেখানে অভিভাবকেরা নিজেদের অভিমত বা পরামর্শ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।

ভর্তি পরীক্ষার ফরম পূরণে সহায়তা: যথাযথভাবে ভর্তি পরীক্ষার ফরম পূরণ করার নিয়ম রেটিনার ছাত্রছাত্রীদের হাতেকলমে দেখানো হয়। ফরম পূরণ করার সময় মেডিকেল চয়েসের স্ট্যান্ডার্ড সিরিয়ালের ক্ষেত্রে ভুল হওয়ায় অনেকেই ভালো রেজাল্ট করেও ভালো মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পান না।

নিবিড় তত্ত্বাবধান: অনলাইনে এমবিএমের (মোবাইল বেইজড মনিটরিং) মাধ্যমে এবং অফলাইন কোচিংয়ে শাখাগুলোয় সার্বক্ষণিক মেডিকেল ছাত্রদের দ্বারা নিবিড় তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে নিয়মিত যত্ন এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অফলাইন কোচিং চলাকালে পাঁচ বছর ধরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ভর্তি পরীক্ষার আগে এক মাস কোচিং বন্ধ রাখতে হয়। রেটিনা এই সময়ে বাসায় বসে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত ১৫টি মডেল টেস্ট প্যাকেজের প্রশ্ন সরবরাহ করে।

একনজরে রেটিনা

  • প্রতি সপ্তাহে চারটি ক্লাস, চারটি ক্লাস টেস্ট এবং সপ্তাহে এক দিন টিউটোরিয়াল পরীক্ষা।

  • ২২৩টি প্রশ্নপত্র এবং সর্বমোট ১৫ হাজার প্রশ্নের সমাধান।

  • মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার অনুরূপ মানসম্মত প্রশ্নপত্র দিয়ে পেপার ফাইনাল, সাবজেক্ট ফাইনাল ও মডেল টেস্ট গ্রহণ।

  • সারা দেশের ২০টি শাখার মধ্যে অবস্থান মূল্যায়নের জন্য ছাত্রছাত্রীদের কেন্দ্রীয় মেধাতালিকা প্রদান।

  • রেটিনার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক রেজাল্ট অনলাইনে জেনে নেওয়ার সুযোগ।

  • প্রতিটি পরীক্ষার ফলাফল ছাত্রছাত্রীদের কাছে এবং অভিভাবকদের কাছে আলাদা করে খুদে বার্তার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছানো।

  • সরকারি মেডিকেল কলেজের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে তৈরিকৃত মানসম্পন্নসমৃদ্ধ প্রকাশনা রেটিনা ডাইজেস্ট প্রদান।

  • একদল দক্ষ ডাক্তার কর্তৃক প্রতিদিন রেজাল্ট মূল্যায়নের মাধ্যমে গাইডলাইন প্রদান।

  • রেটিনার নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে পরীক্ষা গ্রহণ।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় রেটিনার সাম্প্রতিক সাফল্য

গত তিন বছরে মেডিকেল কলেজে ভর্তিতে চমক দেখিয়েছেন রেটিনার শিক্ষার্থীরা।

২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ প্রথম ২০ জনের মধ্যে ১৬ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজে ১৬৩ জনসহ সারা দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন রেটিনার ৩ হাজার ৩০০–র বেশি শিক্ষার্থী।

২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ প্রথম ২০ জনের মধ্যে ১৪ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজে ১৫৫ জনসহ সারা দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন রেটিনার ৩ হাজার ১০০–র বেশি শিক্ষার্থী।

২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে মেধাতালিকায় উত্তীর্ণ প্রথম ২০ জনের মধ্যে ১৪ জন, ঢাকা মেডিকেল কলেজে ১২৯ জনসহ সারা দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন রেটিনার ৩ হাজার ৫০ জনের বেশি শিক্ষার্থী।

শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে রেটিনার অবদান

  • দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদান।

  • শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা, যেমন রেটিনা বায়োলজি অলিম্পিয়াড, রেটিনা স্টার ইত্যাদি আয়োজন।

  • প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং শীতার্ত–অসহায় মানুষকে সাহায্য প্রদান।

  • সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমে স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ।