গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটে প্রথম ঐশী, পাসের হার ৬৬ শতাংশ, সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ৫
গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক প্রথম বর্ষের ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল রোববার রাতে প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার ৬৬ শতাংশ। এ পরীক্ষায় সর্বোচ্চ ৮৫ নম্বর পেয়ে প্রথম স্থান অধিকার করেছেন যশোরের সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের ছাত্রী ফারহানা সুলতানা ঐশী।
ভর্তি পরীক্ষার কোর কমিটির সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মনজুরুল হক বলেন, প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ‘সি’ ইউনিটে মোট আবেদনকারী ছিলেন ২৫ হাজার ২১৬ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছেন ১৯ হাজার ৬০৬ জন শিক্ষার্থী, যা মোট আবেদনকারীর ৭৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। অনুপস্থিত ছিলেন ৫ হাজার ৬১০ জন (২২ দশমিক ৫০ শতাংশ)।
অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে পাস নম্বর (৩০-এর ওপরে) পেয়ে ভর্তির প্রাথমিক যোগ্যতা অর্জন করেছেন ১২ হাজার ৯৭৮ জন। উপস্থিত পরীক্ষার্থীদের পাসের হার ৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে ৩০-এর কম নম্বর পেয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ হাজার ৬২২ জন (৩৩ দশমিক ৫০ শতাংশ)। এ ছাড়া রোল নম্বর ও পরিচয়পত্র ভরাট–সংক্রান্ত ভুলের কারণে ছয় শিক্ষার্থীর খাতা বাতিল করা হয়েছে।
এবারের ‘সি’ ইউনিটে মেধাতালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন ফারহানা সুলতানা ঐশী। তিনি যশোর সরকারি মাইকেল মধুসূদন কলেজের শিক্ষার্থী। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৮৫। তিনি যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। অন্যদিকে এ পরীক্ষায় সর্বনিম্ন প্রাপ্ত নম্বর মাইনাস ৫।
ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা গুচ্ছভুক্ত পরীক্ষার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে তাঁদের ব্যক্তিগত ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবেন। যোগ্য প্রার্থীদের পরবর্তী সময়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বিভাগ ও বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে।
গত শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দেশের ২১টি কেন্দ্রে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের গুচ্ছের সি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ভর্তি পরীক্ষায় ন্যূনতম পাস নম্বর ৩০। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য দশমিক ২৫ নম্বর কাটা যাবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য দ্বিতীয়বার আবেদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
আগামী ৩ এপ্রিল ‘বি’ ইউনিট (মানবিক) এবং ১০ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিটের (বিজ্ঞান) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।