‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় আছে নদীতীরের জীবন: প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা–২০২৬
বাংলা: দূরের পাল্লা
প্রিয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী, শুভেচ্ছা রইল। আজ বাংলা বিষয়ে ‘দূরের পাল্লা’ কবিতার ওপর আলোচনা করা হলো।
∎ সংক্ষিপ্ত উত্তর–প্রশ্ন
প্রশ্ন: মাঝিরা কেমন করে নৌকা চালায়?
উত্তর: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় তিন মাঝি তিনটি বইঠা নিয়ে নৌকা চালায়। তারা মন্থরগতিতে নৌকা চালায়। নৌকা চালানোর সময় তারা গান গায়।
প্রশ্ন: মাঝিরা কীভাবে দূরে যাত্রা করে?
উত্তর: মাঝিরা দূরে যাত্রা করার জন্য তিন দাঁড়ের সরু নৌকা নেয়। সেখানে তিন মাঝি থাকে। তারা ধীরে নৌকা বায়। নৌকা বাইতে বাইতে তারা গান গায়। সারা দিন তারা এভাবে দূরের যাত্রা করে।
প্রশ্ন: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতার মাঝিরা সারা দিন কী কী করে?
উত্তর: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় একটি নৌকায় তিন মাঝি রয়েছে। তিন মাঝি তিনটি দাঁড় নিয়ে সারা দিন দূরে থেকে দূরে যাওয়া–আসা করে। যাওয়া–আসার মধ্যে প্রকৃতির নানা দৃশ্য দেখে। তারা মাঝেমধ্যে গান গাইতে গাইতে নৌকা বেয়ে ধীরগতিতে এগিয়ে চলে।
প্রশ্ন: নদী থেকে কলসিতে জল ভরার দৃশ্য কেমন?
উত্তর: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় ঘোমটা দেওয়া বউ নদীতে আসে। নদীতে এসে কলসিতে জল ভরে। তার জল নেওয়ার কলসিটা ঝকঝকে। কলসিতে জল ভরার সময় বকবক শব্দ হয়। এমন জল ভরার দৃশ্য সুন্দর।
প্রশ্ন: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতার মূলভাবটি লেখো।
উত্তর: মূলভাব: ‘দূরের পাল্লা’ কবিতায় ফুটে উঠেছে নদীর তীরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বর্ণনা। নদীতে তিন মাঝি সারা দিন নৌকা বেয়ে চলে। নদীর দুই তীরের পাড় ঝোপঝাড়–জঙ্গলে পরিপূর্ণ। জেগে ওঠা চরে বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মানুষ ঘর তৈরি করে। বনহাঁস চরে ডিম দেয় এবং সেই ডিম শেওলা দিয়ে ঢেকে রাখে। পানকৌড়ি জলে ডুব দেয়, সেই সঙ্গে টুপটুপ করে ডুব দেয় ঘোমটা পরা বউ। তার জল ভরার কলসিটা ঝকঝকে সুন্দর। জল ভরার সময় তাতে বকবক শব্দ হয়। তারই পাশ দিয়ে তিন মাঝি গান গাইতে গাইতে ধীরগতিতে এগিয়ে চলে।
মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা