শিক্ষার্থীদের জানা জরুরি

১.

পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে অবশ্যই পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে ।

২.

প্রথমে বহুনির্বাচনি (গঈছ) পরীক্ষা (সময় ২০ মিনিট) ও পরে সৃজনশীল/রচনামূলক পরীক্ষা (সময় ১ ঘণ্টা ৪০ মিনিট) অনুষ্ঠিত হবে । মাঝখানে কোনো বিরতি থাকবে না।

৩.

(ক) সকাল ১১টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে:

সকাল ১০.৩০: অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ঙগজ শিট বিতরণ

সকাল ১১.০০: বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ

সকাল ১১.২০: বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ ।

(খ) বেলা ২টা থেকে অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে:

বেলা ১.৩০: অলিখিত উত্তরপত্র ও বহুনির্বাচনি ঙগজ শিট বিতরণ

বেলা ২.০০: বহুনির্বাচনি প্রশ্নপত্র বিতরণ

বেলা ২.২০: বহুনির্বাচনি উত্তরপত্র সংগ্রহ ও সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ ।

৪.

প্রত্যেক পরীক্ষার্থী সরবরাহকৃত উত্তরপত্রে তার পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি ঙগজ ফরমে যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করবে । কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা কিংবা অন্য কোনো প্রয়োজনে উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।

৫.

পরীক্ষার্থীকে গঈছ, ঈছ এবং প্র্যাকটিক্যাল (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) আলাদাভাবে পাস করতে হবে ।

৬.

কোনো পরীক্ষার্থীর পরীক্ষা নিজ কলেজ/প্রতিষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হবে না।

৭.

পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় সাধারণ সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে । প্রোগ্রামিং ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে না।

৮.

পরীক্ষাকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মুঠোফোন ব্যবহার করতে পারবে না। কোনো পরীক্ষার্থী মুঠোফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবে না।

পরীক্ষা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি খুবই ভালো। আগের বছরগুলোতে যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হতো, সেগুলোর পাশাপাশি আরও নতুন কিছু ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসব ব্যবস্থার কথা বারবার কেন্দ্রসচিবদের অবহিত করা হয়েছে। কখনো কখনো প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় কিছু ভুল হয়, সেগুলো যাতে আর না হয়, সে জন্যও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাঁরা এই ভুল করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় এ বছরের এসএসসি পরীক্ষায় ছয়টি বিষয়ের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। এ জন্য ওই বোর্ডের অধীন চারটি বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। বাকি দুই বিষয় উচ্চতর গণিত ও জীববিদ্যার পরীক্ষা নতুন প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে নির্ধারিত সময়েই নেওয়া হয়। এই অপকর্মের নেতৃত্বে ছিলেন একজন কেন্দ্রসচিব, যিনি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

এদিকে আগেই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা নেওয়ার লক্ষ্যে ৩ নভেম্বর থেকে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে দেরি হলে, সেই পরীক্ষার্থীকে হলে প্রবেশ করতে দিলে তাঁর রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্বের কারণ ইত্যাদি একটি রেজিস্টারে লিখে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে। আর কোন সেট প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হবে, তা পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (কেন্দ্রসচিব) ছাড়া অন্য কেউ মুঠোফোন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্র নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও ছবি তোলা যায় না, এমন একটি সাধারণ ফোন ব্যবহার করতে পারবেন।