পরীক্ষার হলে মেনে চলো ১৫টি নির্দেশনা

এআই/প্রথম আলো

প্রিয় প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার্থী, পরীক্ষার সময় তোমাদের বেশ কয়েকটি নিয়মকানুন মানতে হবে, তা জেনে নাও।

১. উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশের বৃত্তাকার ঘরগুলো এমনভাবে ভরাট করতে হবে, যাতে এগুলোর ভেতরের লেখাগুলো না দেখা যায়।

২. বৃত্তাকার ঘরগুলো কালো কালির বলপয়েন্ট কলম দিয়ে ভরাট করতে হবে।

৩. ওএমআর শিট বা উত্তরপত্র কোনো অবস্থাতেই ভাঁজ করা যাবে না।

৪. খাতায় মার্জিনের জন্য স্কেল ও পেনসিল বা কলম ব্যবহার করতে হবে।

৫. উত্তরপত্রের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার খালি অংশে যেখানে ‘এ স্থান হতে উত্তর লেখা আরম্ভ করতে হবে’ লেখা আছে, তার নিচ থেকে প্রশ্নের উত্তর লেখা শুরু করতে হবে।

৬. খসড়ার জন্য কোনো পৃথক কাগজ দেওয়া হবে না। খসড়ার জন্য বাইরে থেকেও কোনো প্রকার পৃথক কাগজ আনা যাবে না।

আরও পড়ুন

৭. খসড়া বা অপ্রয়োজনীয় যেকোনো লেখা পরীক্ষার্থীকে নিজ হাতে কেটে দিতে হবে।

৮. পরীক্ষায় দেওয়া উত্তরপত্র ছাড়া প্রশ্নপত্রে,  প্রবেশপত্রে, টেবিলে বা অন্য কোথাও পরীক্ষার্থী কোনো কিছু লিখতে পারবে না।

৯. লেখা শেষে উত্তরপত্র অবশ্যই কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের কাছে জমা দিতে হবে।

১০. পরীক্ষার হলে পরীক্ষার্থী কোনো অবস্থাতেই মুঠোফোন বা অন্য কোনো ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে না।

১১. উত্তর লেখার জন্য তোমাকে দেওয়া উত্তরপত্রেই খসড়া করে সমাধান করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্রের কোনো পাতা কেউ ছিঁড়তে পারবে না।

আরও পড়ুন

১২. মূল উত্তরপত্র লেখা শেষ করে প্রয়োজন হলে এক বা একাধিক অতিরিক্ত উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীকে দেওয়া হবে। পরীক্ষা শেষের ঘণ্টা বাজার আগেই অতিরিক্ত উত্তরপত্রের সংখ্যা লিখে সংশ্লিষ্ট বৃত্ত ভরাট করতে হবে।

‌১৩. অতিরিক্ত উত্তরপত্র মূল উত্তরপত্রের সঙ্গে অবশ্যই সেলাই করে নিতে হবে।

১৪. পরীক্ষার কক্ষে কোনো কিছুর প্রয়োজন হলে একজন পরীক্ষার্থী কেবল দাঁড়িয়ে কর্তব্যরত ইনভিজিলেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং তিনি কাছে এলে তাঁর কাছে পরীক্ষার্থী নিজের বক্তব্য পেশ করতে পারবে।

১৫. পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিতরণের সময় থেকে এক ঘণ্টা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষার্থী কোনো কারণে পরীক্ষাকক্ষের বাইরে যেতে পারবে না।

  • মিজানুর রহমান, শিক্ষক
    ধানমন্ডি সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়, ঢাকা