পরবর্তী ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আলী আকবর খান বলেন, এখনো তদন্ত প্রতিবেদনটি তিনি হাতে পাননি। হাতে পাওয়ার পর যেটি করবেন, সেটি হলো, অভিযুক্ত শিক্ষকদের প্রথমে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে। নোটিশের জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে এমনও হতে পারে, তাঁদের কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কাজে কালোতালিকাভুক্ত করতে পারেন, যাতে তাঁরা আর বোর্ডের কোনো কাজে সুযোগ না পান। এ ছাড়া ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ করতে পারেন।

৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় বাংলা-২ (সৃজনশীল) পরীক্ষার একটি প্রশ্নপত্রে লেখক-কথাসাহিত্যিক আনিসুল হককে নিয়ে এমনভাবে প্রশ্ন করা হয়েছে, যাতে তাঁকে হেয় করা হয়েছে। এ নিয়ে সমালোচনা চলছে।

একই দিনে ভুল প্রশ্নপত্রের কারণে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএমটি) পরীক্ষার একাদশ শ্রেণির বাংলা-১ (নতুন ও পুরোনো পাঠ্যসূচি) পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। এইচএসসির (বিএমটি) একাদশ শ্রেণিতে দুই ধরনের পরীক্ষার্থী রয়েছেন।

কিন্তু ভুলবশত নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র ছাপা হয়েছে পুরোনো পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। আর পুরোনো (অনিয়মিত) পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র ছাপা হয়েছে নতুন পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে। বিষয়টি জানার পরপরই পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

একাদশ শ্রেণির বাংলা-১-এর পরীক্ষা স্থগিত করার বিষয়ে বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামানকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। পরে ওই কমিটিকে এইচএসসি (বিএম) বাংলা-২ পরীক্ষায় বিতর্কিত একটি প্রশ্ন করার বিষয়টিও তদন্ত করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।