বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে পরিসংখ্যান বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী উত্তম পাল, কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী ওয়াহেদুজ্জামান, ফুড প্রসেসিং অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের জুলকিফাল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের নাহিদ আহম্মেদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। বক্তারা বলেন, করোনা মহামারির শুরু থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কয়েক দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাসহ পরীক্ষা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাইরে সব প্রতিষ্ঠান চলছে কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। নামমাত্র অনলাইন ক্লাস চালু আছে। সব শিক্ষার্থী ডিভাইস ও নেটওয়ার্ক কাভারেজের আওতায় না থাকার জন্য অনলাইনে ক্লাসেও অংশ নিতে পারছেন না।

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘করোনার কারণে দেড়-দুই বছরের সেশনজটে পড়েছি। বাড়িতে বসে থেকে পড়াশোনার কোনো প্রস্তুতিও গ্রহণ করতে পারছি না। সেখানে আবাসিক হলগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থীকে ঝুঁকি নিয়ে আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে মেসে থাকতে হচ্ছে।’ এ সময় অবিলম্বে সব শিক্ষার্থীকে করোনার টিকা প্রদান করে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আবাসিক হল খুলে দেওয়ার দাবি জানান তাঁর। অন্যথায় সাধারণ শিক্ষার্থীরা কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ফজলুল হক বলেন, শিক্ষার্থীরা একটা স্মারকলিপি দিয়েছে। সেখানে তাদের বিভিন্ন দাবির কথা জানিয়েছে। কিন্তু বিষয়টা হচ্ছে সরকারি যে সিদ্ধান্ত আছে, তার বাইরে যাওয়ার এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেই। তিনি বলেন, ‘করোনায় শিক্ষার্থীদের ক্ষতির বিষয়টি আমরা জানি। কিন্তু কী আর করার আছে? তবে অনলাইন ক্লাস জোরদার এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে এর আওতায় আনার ব্যবস্থা আমরা করেছি।’

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন