বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অভিযোগকারী রেহমান খালেদ ছাত্র ইউনিয়ন ও আরাফাত রহমান ছাত্রদলের কর্মী। তাঁরা অন্য হলে সংযুক্ত। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, তাঁরা শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হলে ফুটবল খেলতে গিয়েছিলেন। আতিক মোর্শেদ নামের এক বন্ধুর গ্রেপ্তার হওয়ার প্রেক্ষাপটে ফেসবুকে খালেদের দেওয়া পুরোনো একটি পোস্ট ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সেখানে মিম্মুর ও সোপান আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে খালেদকে জেরা করতে থাকেন। একপর্যায়ে শুরু হয় মারধর। তখন আরাফাত খালেদকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয়। তাঁরা মারধরের ঘটনাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।

অভিযুক্ত মিম্মুর ও সোপান ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। জানতে চাইলে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেন মিম্মুর সালিম ওরফে পরাগ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘খালেদ ও আরাফাত আমাদের সহপাঠী বন্ধু। জহুরুল হক হলের পুকুরপাড়ে তাঁরা সিগারেট ধরিয়েছিলেন। তখন সেখানে আমাদের কিছু বড় ভাই গোসল করছিলেন। তাই তাঁদের সেখানে সিগারেট খেতে নিষেধ করি। আমরা তাঁদের কোনো মারধর করিনি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ঘটনাটি তাঁরা অবহিত হয়েছেন। হল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন