বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষও সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বারান্দায় কোনো ছাত্র থাকতে পারবেন না। তাই আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে বারান্দায় রাখা নিজ নিজ বিছানাপত্র ও খাটগুলো সরিয়ে নিতে হবে। নয়তো হল কর্তৃপক্ষ এসব খাট বা বিছানাপত্র সরিয়ে ফেলবে। এ ছাড়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসএম হলের বারান্দায় অবস্থানরত ছাত্রদের অবিলম্বে হল কার্যালয়ে যোগাযোগ করে সিটের জন্য আবেদন করতে হবে।
সূত্র বলেছে, এসব বারান্দায় থাকা নবীন শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের কর্মসূচিতে যেতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, হলগুলোতে আর কোনো ‘গণরুম’ থাকবে না। এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ছাত্রসংগঠনগুলো কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছে।

করোনা পরিস্থিতির কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর আগামী ৫ অক্টোবর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ জন্য হলগুলোয় চলছে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিচ্ছন্নতার কাজ। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এসএম হলে গিয়ে দেখা যায়, হলের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম কোণের বারান্দাগুলোর সিলিং থেকে পলেস্তারা খসে পড়েছে। হলে রাজমিস্ত্রিরা সংস্কারের কাজ করছেন। কয়েক শিক্ষার্থীকে হলের কক্ষ পরিষ্কার করতেও দেখা যায়।

এ প্রসঙ্গে এসএম হলের প্রাধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান বলেন, গত ডিসেম্বরে এ হলের প্রাধ্যক্ষের দায়িত্ব পাওয়ার পর ফাটল দেখার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল দপ্তরে চিঠি দিয়েছিলেন তিনি। পরে উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান বুয়েটের তিন প্রকৌশলীর সমন্বয়ে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে দেন। কমিটির সঙ্গে তাঁরা কয়েক দফা সভা করেছেন। এ ছাড়া সরেজমিনে বারান্দাগুলো পরিদর্শন করেছেন তাঁরা।

মজিবুর রহমান বলেন, ‘বারান্দার একাধিক জায়গায় বেশ বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। বারান্দার একটি বিম বাঁকা হয়ে গেছে। ছাদে স্থাপিত ভারী পানির ট্যাংকগুলো অন্য জায়গায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়েছি। বারান্দায় থাকা ভারী আসবাবগুলো সরিয়ে নেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে বিশেষজ্ঞ কমিটি। তাই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এগুলো সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।’

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন