বিজ্ঞাপন

শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য কিছু নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, নতুন নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে যাঁরা এখনো সিইনএড, ডিডিইনএড ও ইনডাকশন প্রশিক্ষণসহ কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ পাননি, সেসব শিক্ষক এ প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা নির্বাচন করতে হবে। প্রশিক্ষণের সময় ১০ দিন এবং প্রশিক্ষণ শুরু করার পর বিরতিহীনভাবে (জাতীয় দিবস ছাড়া) প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষকেরা যাঁর যাঁর অবস্থান থেকে প্রশিক্ষণে অংশ নেবেন। তবে ডিপইনএড-সিএনএড প্রশিক্ষণরত কোনো শিক্ষককে এ প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া যাবে না। ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, ট্যাব বা স্মার্টফোন এবং ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা রয়েছে—এমন শিক্ষকদের প্রশিক্ষণে মনোনয়ন দিতে হবে।

default-image

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাচের অংশগ্রহণকারীদের উপজেলা শিক্ষা অফিসার ডেপুটেশন দেবেন। উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসারের নাম, শিক্ষকের নাম, পদবি ও অন্য তথ্যাদি ট্রেনিং ট্রেকিং সফটওয়্যারে এন্ট্রি করে কেবল নতুন নিয়োগ পাওয়া সহকারী শিক্ষকদের ইনডাকশন ট্রেনিং প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবেন। ট্রেনিং ট্রেকিং সফটওয়্যারে এন্ট্রি না করে প্রশিক্ষণার্থী মনোনয়ন দেওয়া যাবে না।

প্রশিক্ষণ কীভাবে হবে

প্রতি ব্যাচে দুজন প্রশিক্ষক থাকবেন। ইউআরসি বা টিআরসি ইনস্ট্রাক্টর অথবা সহকারী ইনস্ট্রাক্টর একজন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক নির্বাচিত সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার একজন। প্রশিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এর আগে যাঁরা ইনডাকশন প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বা কারিকুলাম ডিসেমিনেটশন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং দক্ষ, তাঁদের থেকে নির্বাচন করতে হবে।

প্রশিক্ষকের সংকট হলে পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে অন্য ইউআরসি বা টিআরসি ইনস্ট্রাক্টর বা পিটিআই ইনস্ট্রাক্টর অথবা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মনোনয়ন দেবেন। প্রশিক্ষণ ম্যানুয়াল অনুসারে প্রশিক্ষণ পরিচালনা করতে হবে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ইউআরসি-টিআরসি ইনস্ট্রাক্টররা প্রশিক্ষণ শুরুর আগেই প্রশিক্ষণ পরিচালনার প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করে অনলাইন প্রশিক্ষণ পরিচালনা করবেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। নির্দেশনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো সহকারী শিক্ষককে ইনডাকশন ট্রেনিংয়ে প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

প্রশিক্ষণার্থীদের প্রথম দিন থেকে ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন করে প্রশিক্ষণ শেষে চূড়ান্ত মূল্যায়ন করতে হবে। অনলাইনভিত্তিক প্রশিক্ষণ পরিচালনায় কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে স্থানীয় পিটিআইয়ের কম্পিউটার (সায়েন্স) ইনস্ট্রাক্টরের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ করে সহযোগিতা নিতে হবে।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন