বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চীনের হুনান প্রদেশের চাংসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ছেন মুরাদ হাসান। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ুয়া এই শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, চীনে অধ্যয়নরত অধিকাংশ শিক্ষার্থী ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেডিকেলের শিক্ষার্থী। তাঁরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে না পেরে ব্যবহারিক ক্লাস ও ল্যাব করতে পারছেন না। চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ইন্টার্নশিপ করতে পারছেন না। অনলাইনে ক্লাস করতে হচ্ছে নানা সীমাবদ্ধতা নিয়ে।

default-image

শিক্ষার্থীরা বলছেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ স্বাভাবিক হওয়ার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরতে পারলেও প্রায় দুই বছর ধরে চীনে যেতে পারছেন না শিক্ষার্থীরা। পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা চীনে ফিরে যাওয়ার জন্য নোটিশ পেয়েছেন। কিন্তু, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে চীন সরকারের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না।

মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের একটি দল তাঁদের দাবিগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত স্মারকলিপি আকারে জমা দেয়।

চীনের জিজিয়ান প্রদেশের মিম্মো ইউনিভার্সিটির এমবিবিএস কোর্সে পড়ছেন আল হাসিবুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমার এমবিবিএস কোর্স শেষ হয়েছে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে। সে সময় ছুটিতে দেশে আসি। এরপর করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হলে চীনে যাতায়াত বন্ধ হয়ে যায়। এখন দুই বছর ধরে আমি বসে আছি। ইন্টার্নশিপ করতে পারছি না। আমাদের দাবি, দ্রুত শ্রেণিকক্ষে পাঠানোর ব্যবস্থা যেন সরকার নেয়।’

মানববন্ধনে চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। মানববন্ধন শেষে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে পাঁচজনের একটি দল তাঁদের দাবিগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে লিখিত স্মারকলিপি আকারে জমা দেয়।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন