বিজ্ঞাপন

গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য মো. গোলাম সামদানী ফকির বলেন, অনলাইন ক্লাসের ক্ষেত্রে নানা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তারপরও শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই এ ক্লাস চালিয়ে নিতে হবে। আর এ কারণেই গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ গত বছর লকডাউনের শুরু থেকে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। তিনি বলেন, ‘সুষ্ঠুভাবে অনলাইন ক্লাস-পরীক্ষা চালু রাখতে আমাদের শিক্ষকদের যেমন ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে, তেমনি ছাত্রছাত্রীদেরও নানাভাবে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর এসব কারণেই বিডিরেন জরিপে দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষ দুইয়ে উঠে এসেছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।’

default-image

সহ–উপাচার্য মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অনলাইন ক্লাসে অগ্রগামী ভূমিকা পালনের পাশাপাশি মেধাবী, অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, শিক্ষা প্রণোদনাসহ বিভিন্নভাবে সহায়তা করে আসছে। করোনা বিপর্যয়ে আর্থিক সমস্যায় থাকা শিক্ষার্থীরা যাতে পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে পারেন, সে বিষয় মাথায় রেখেও নানাভাবে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, এখনো হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে ক্লাসের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন, শিক্ষার্থী ভর্তি, পেমেন্ট সিস্টেমসহ অন্যান্য কার্যক্রমও অনলাইনে পরিচালিত হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, করোনাকাল শুরু হওয়ার কিছুদিন পর থেকেই ইউজিসির নির্দেশনা মেনে অনলাইন পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি। এ জন্য সেন্টার অব এক্সিলেন্স ফর টিচিং অ্যান্ড লার্নিং প্রত্যক্ষভাবে সহায়তা করছে। এর আগেও অনলাইন বিডিরেনের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে গ্রিন ইউনিভার্সিটি। বিজ্ঞপ্তি

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন