বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া একটি গণমুখী বিশ্ববিদ্যালয়। বাংলাদেশের জনসংখ্যার যে ঘনত্ব এবং বিশালত্ব, সে তুলনায় মানসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা অত্যন্ত কম। আর যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করছে, সেগুলো প্রায় সবই অত্যন্ত ব্যয়বহুল। ঠিক এ ক্ষেত্রে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার গুরুত্ব ও বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এটি এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়ে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারেন। এ কারণে বাংলাদেশের সব শ্রেণির নাগরিক তাঁদের সন্তানদের এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পাঠাতে পারেন। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে সুযোগ না পেলে স্বল্প ব্যয়ে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করার কোনো সুযোগ থাকবে না—এ ধারণা ইতিমধ্যে ভুল প্রমাণ করেছে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া।

‘অর্থাভাবে যেন বাংলাদেশের কোনো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়’—প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের এই নির্দেশের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে চলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বোর্ড অব ট্রাস্টিজ।

এ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কুল অব বিজনেস, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, স্কুল অব পাবলিক হেলথ অ্যান্ড লাইফ সায়েন্স অ্যান্ড স্কুল অব আর্টস অ্যান্ড কালচার অনুষদে বিবিএ, এমবিএ, ইএমবিএ, এমবিএম, বিসিএসই, বিসিএসআইটি, এমসিএস, এমসিএ, টেক্সটাইল, ইংরেজি, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স, এমপিএইচ, এমএনএফএস, এমপিএইচও এবং ডিওএলভি প্রোগ্রামে শিক্ষার্থীরা মানসম্মত উচ্চশিক্ষা লাভ করে থাকেন।

ঢাকার বনানীতে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়ার মেইন ক্যাম্পাস অবস্থিত। এখানে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাগত, মানসিক ও দৈহিক উন্নয়নের সব ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে। অনলাইন ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক উপকরণ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। রয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাব ও হালনাগাদ প্রযুক্তির প্রয়োজনীয় সব ধরনের যন্ত্রপাতি। রয়েছে বিশাল অডিটোরিয়াম ও অত্যাধুনিক স্পোর্টস জোন। ঢাকার আমিনবাজারে দ্রুত নির্মীয়মাণ স্থায়ী ক্যাম্পাসটি আধুনিকতম শিক্ষণ প্রক্রিয়ার জন্য একটি আদর্শ স্থাপনা হবে। ২০২২ সালের মধ্যেই এ বিশাল ক্যাম্পাসটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হবে।

‘অর্থাভাবে যেন বাংলাদেশের কোনো শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়’—প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যানের এই নির্দেশের বাস্তবায়ন ঘটিয়ে চলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বোর্ড অব ট্রাস্টিজ।

কম ব্যয়ে যে শিক্ষা এখানে দেওয়া হয়, তা নিঃসন্দেহে বিশ্বমানের। আর এ কারণেই জাতীয়পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এবং দায়িত্বশীল পদে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা কর্মরত। এমনকি দেশের বাইরেও তাঁরা মেধা ও নিষ্ঠার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন