বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী ইকবাল হোসেন। এ সময় একই বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জাকিরুল ইসলাম বলেন, ‘অনলাইনে ক্লাস করে তেমন সুবিধা করতে পারছি না। যেসব শিক্ষার্থীর ল্যাব রয়েছে, তাঁরা আজকে এক বছরের বেশি সময় ধরে ল্যাব ক্লাস করতে পারছে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের সবকিছুই যদি স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক খোলা হয়ে থাকে, তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন খোলা হবে না? সেশনজট, লকডাউন মিলিয়ে এক বর্ষেই তিন বছর পার করে ফেলেছি, এখন শুধুই হতাশা বাড়ছে।’

চারুকলা বিভাগের ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বলা হয়ে থাকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা জাতির বিবেক। আমরা যদি এখন জ্ঞানের কথা চিন্তা না করতে পারি, তাহলে কখনোই উন্নতি সম্ভব না। ২০১৯ সাল থেকে আজ অবধি তৃতীয় বর্ষেই আছি। শপিং মল থেকে শুরু করে সবকিছুই কমবেশি খোলা রয়েছে, বন্ধ রয়েছে শুধু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।’

প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের কবির হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্যবিধি মানতে না পারলে পোশাককর্মীরা কীভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, এটাই বোধগম্য হয় না।’

উচ্চশিক্ষা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন